August 17, 2026, 4:14 pm
শিরোনাম :
পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ার অভিযোগে পিস্তল-গুলিসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিন্না ঘাসের ব্যবহার বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সভা ‘ভাগ্য ভালো রাষ্ট্রপতি হতে চাননি’ হিরো আলমকে জয়ের কড়া খোঁচা ভূমধ্যসাগরে খাবার-পানির অভাবে ১১বাংলাদেশির মৃত্যু মাগুরার মাটিতে অ্যাভোকাডো চাষ, সফল তরুণ উদ্যোক্তা নাসির আশ্রয় নেওয়া ৩লাখ ৯হাজার রোহিঙ্গাকে স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার কাবিখার ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুমাননির্ভর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদি আরবে ১৪ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার, বহিষ্কার ১৩ হাজার ট্রেনের এসি কামরায় তাণ্ডব! অভিনেত্রী অন্তরা গ্রেপ্তার

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তহশিলদারের ভিডিও ভাইরাল, তদন্তে প্রশাসন

সানাউল্লাহ সুমন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভূমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবার নামে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, নামজারি (খারিজ), খাজনা আদায়সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক সেবা প্রদান করতে গিয়ে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি কক্ষে বসে এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করে তা গুনে নিজের পকেটে রাখছেন অভিযুক্ত তহশিলদার মফিজুল ইসলাম।
ভূমি অফিসে কাজের সঙ্গে জড়িত বলে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি দাবি করেন, কাগজপত্র ঠিক থাকলে খারিজের জন্য ৬ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন সেবার ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত অর্থও নেওয়া হয়ে থাকে।
জামবাড়িয়া ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতা মো. আলিমুদ্দীন অভিযোগ করে বলেন, একটি দলিলের জন্য তার কাছে ৬ হাজার টাকা এবং দুটি দলিলের জন্য ৯ হাজার টাকা দাবি করা হয়। কাজের প্রয়োজনেই তিনি ওই অর্থ দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না। নির্ধারিত সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয় বলে তারা অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মফিজুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলতে।
ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি প্রাথমিকভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



ফেসবুক কর্নার