August 16, 2026, 2:43 am
শিরোনাম :
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে: নুরুল হক নুর শাহজালাল মাজারের ডেগে মিলল শেখ হাসিনার নামে চিঠি জামায়াত-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষ, এমপি আমির হামজাসহ আহত ১০ কলকাতায় ‘রাত দখল’ মিছিলে অংশ নিয়ে আলোচনায় জয়া প্রকাশ্যে এল মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজ ‘ভিশনকোয়েস্ট’ কন্যা সন্তানের মা হলেন অভিনেত্রী পূজা পুরুষ প্রমাণিত হওয়ায় আজীবন নিষিদ্ধ দুই নারী অ্যাথলেট, বাতিল সব পদক প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে চার পরিকল্পনা তুলে ধরলেন হাসনাত আবদুল্লাহ বিভ্রান্তির রাজনীতি ছেড়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসুন: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের বড় ঘোষণা

বিশিষ্টজনদের তাগিদ: রাজনৈতিক দলগুলো বৈদেশিক নীতি নিয়ে ঐক্যে আসুক

অভয়নগর প্রতিবেদক

জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও ধারাবাহিক পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ন্যূনতম ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেছেন বিশিষ্টজনরা। তারা বলেছেন, রাজনৈতিক বিভাজন ও পার্টি স্বার্থের কারণে দেশে আন্তর্জাতিক অংশীদারি ও উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বৈদেশিক নীতি, কূটনীতি এবং বৈশ্বিক সম্পর্ক’ শীর্ষক সংলাপে বক্তারা এ মন্তব্য করেন।

সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী বলেন, বর্তমান বিশ্ব মাল্টি-পোলার কাঠামোর দিকে এগোচ্ছে। বাংলাদেশকে টিকে থাকতে হলে সব প্রধান শক্তির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। এতে সরাসরি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও সামরিক-প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি সম্ভব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আমেনা মহসিন বলেন, পররাষ্ট্রনীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি এখন বড় চ্যালেঞ্জ। দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিতে সংকট দেখা দিয়েছে, ভিসাসংক্রান্ত জটিলতাও একটি সমস্যা। পরবর্তী সরকারের উচিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে রাজনীতিকীকরণ থেকে মুক্ত রাখা।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কূটনীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের সীমান্ত, অভিন্ন নদী ও পরিবেশগত নির্ভরতা, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কৌশলগত গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছে।

বামপন্থি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সংহতি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত কামরুল আহসান বলেন, শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতি গড়ে তুলতে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের জনগণের মধ্যে দৃঢ় সমর্থন তৈরি করা প্রয়োজন। জনভিত্তি দুর্বল হলে অন্য রাষ্ট্র সহজেই প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

সিজিএস সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, দেশে বৈদেশিক নীতি নিয়ে আলাদা কোনো কার্যকর কমিশন নেই। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকট ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে যথাযথ উদ্যোগ দেখা যায়নি।

সংলাপে আরও বক্তব্য রাখেন গোলাম সারোয়ার মিলন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, সোহরাব হাসান, ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস, পারভেজ করিম আব্বাসী, ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি, সামান্তা শারমিন প্রমুখ।

সারমর্ম: বৈদেশিক নীতি শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য ও জনগণের সমর্থন জরুরি, নইলে দেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান ও উন্নয়ন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

বাংলা অনুবাদ:
জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ও ধারাবাহিক পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোকে ন্যূনতম ঐক্যে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক অংশীদারি ও দেশের উন্নয়নের জন্য এটি অপরিহার্য।



ফেসবুক কর্নার