August 17, 2026, 5:10 pm
শিরোনাম :
দৌলতপুরে তানিম প্রাইভেট হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ার অভিযোগে পিস্তল-গুলিসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিন্না ঘাসের ব্যবহার বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সভা ‘ভাগ্য ভালো রাষ্ট্রপতি হতে চাননি’ হিরো আলমকে জয়ের কড়া খোঁচা ভূমধ্যসাগরে খাবার-পানির অভাবে ১১বাংলাদেশির মৃত্যু মাগুরার মাটিতে অ্যাভোকাডো চাষ, সফল তরুণ উদ্যোক্তা নাসির আশ্রয় নেওয়া ৩লাখ ৯হাজার রোহিঙ্গাকে স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার কাবিখার ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুমাননির্ভর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদি আরবে ১৪ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার, বহিষ্কার ১৩ হাজার

ব্যবসায়ীকে নির্যাতন করে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরের অভিযোগে গ্রেপ্তার এক

অভয়নগর প্রতিবেদক

বরিশালে এক ব্যবসায়ীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে জোরপূর্বক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে নগরীর সদর রোড এলাকার একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম। তিনি জানান, এ ঘটনায় বিস্তারিত জানাতে পুলিশ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করবে।
মামলার অভিযোগে জানা যায়, গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় নগরীর সদর রোডে অবস্থিত অগ্রণী হাউজিং (আবাসন) লিমিটেডের কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকজন ব্যক্তি তাকে মারধর করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে একাধিক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন।
ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে ভুক্তভোগী আদালতে নালিশি মামলা দায়ের করলে আদালত সেটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
আব্দুল আজিজ হাওলাদার দাবি করেন, অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটু একসময় অগ্রণী হাউজিংয়ের অংশীদার ছিলেন। বিনিয়োগের বিপরীতে তার পাওনা পরিশোধ করা হলেও পরবর্তীতে তিনি এক কোটি টাকা দাবি করেন। দাবি পূরণ না হওয়ায় কার্যালয়ে এসে জোরপূর্বক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে, মোস্তাফিজুর রহমান লিটু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি ও অন্যরা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে সেখানে গিয়েছিলেন। তার দাবি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে এবং এ বিষয়ে পরিচালকদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানানো হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার তদন্ত চলছে। গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।



ফেসবুক কর্নার