নির্বাচিত হলে কঠোর হাতে দুর্নীতি দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। অপরাধী নিজ দলের হলেও কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করেন তিনি। রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি সমাবেশে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
সমাবেশে বক্তব্যের শুরুতে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় উপস্থিত জনতার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন বিএনপি নেতা। এরপর তিনি বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন এবং রাজনৈতিক অধিকার চায়। দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু সমালোচনার রাজনীতি দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিএনপি যতবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, ততবারই মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। খেটে খাওয়া মানুষকে সঙ্গে নিয়েই দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। বিএনপি ক্ষমতায় এলে রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) সংখ্যা বাড়ানো হবে এবং চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান। পাশাপাশি তিনি শিক্ষাব্যবস্থায় বাস্তবমুখী ও কর্মসংস্থানভিত্তিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।
বক্তব্যে তিনি আওয়ামী লীগের ১৯৯৬–২০০১ সময়কালের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতির সূচক ধারাবাহিকভাবে কমেছিল। তিনি দাবি করেন, খালেদা জিয়া দেশকে দুর্নীতির গ্রাস থেকে মুক্ত করেছিলেন। এ সময় চট্টগ্রামের সঙ্গে নিজের পরিবারের আবেগঘন সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান। এর আগে সকালে তিনি চট্টগ্রামের একটি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুব সংলাপে অংশ নিয়ে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে মতবিনিময় করেন।
