সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নজুড়ে আমগাছে এসেছে মুকুল। মৌমাছির গুঞ্জন আর মুকুলের সুবাসে মুখর হয়ে উঠেছে গ্রামাঞ্চল। চলতি মৌসুমে কুয়াশা কম থাকায় মুকুল ঝরে পড়ার আশঙ্কা কমেছে বলে জানিয়েছেন চাষিরা। ফলে শুরুতেই ভালো ফলনের আশা দেখা দিয়েছে আমবাগানগুলোতে।
বিষ্ণুপুর গ্রামের চাষি পীযূষ কান্তি রায় জানান, তার তিন বিঘা জমিতে প্রায় দেড় শতাধিক গাছে মাঘের শুরুতেই মুকুল এসেছে। বালিয়াডাঙ্গা-কৃষ্ণনগর এলাকার তপন সরকার বলেন, গাছে প্রচুর মুকুল ধরায় দ্রুত গুটি আসছে। তিনি জানান, গুটি ঝরে পড়া রোধে নিয়মিত সেচ ও কৃষি পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় স্প্রে করা হচ্ছে। তার বাগানে হিমসাগর, ল্যাংড়া, গোপালভোগ ও আম্রপালি জাতের আম রয়েছে।
নলতা ও মৌতলা এলাকার একাধিক চাষি বলেন, অনুকূল আবহাওয়া বজায় থাকলে এবার ফলন ভালো হতে পারে। তবে রপ্তানি প্রক্রিয়ার জটিলতা ও বাড়তি খরচ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। উপজেলা কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কুয়াশা কম থাকায় মুকুলের পরিমাণ আশাব্যঞ্জক। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর আম উৎপাদনে ইতিবাচক ফল মিলতে পারে।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com