নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলা-য় যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় মহিলাসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে কথা কাটাকাটির জেরে শুরু হওয়া সংঘর্ষে উভয় পক্ষই ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলায় জড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন পিপরুল ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরব আলী ও তার পরিবারের তিনজন সদস্য। প্রতিপক্ষের সহ-সভাপতি লিটন ও রিপনসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রিপনের হাতের দুটি আঙুল গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আরব আলী রক্তাক্ত হন। গুরুতর আহত দুইজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ এবং অন্যদের নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পিপরুল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিঠুন কুমার দেব বলেন, এটি দলীয় সংঘর্ষ নয়; বরং প্রতিবেশীদের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। জেলা যুবদলের সভাপতি এ. হাই তালুকদার ডালিমও ঘটনাটিকে রাজনৈতিক নয়, পারিবারিক বিরোধের তৃতীয় দফা সংঘর্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মারামারির ঘটনায় বাঁশভাগ পূর্বপাড়ার মৃত আব্দুল করিম ব্যাপারির ছেলে মো. আনসার ব্যাপারী বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অযরত আলী সরদার, হযরত আলী সরদার, মোছা. খাদিজা বেগম ও মোছা. মরিয়ম খাতুনকে আটক করে।
এ ঘটনার পর জেলা যুবদলের সভাপতি এ. হাই তালুকদার ডালিম ও সাধারণ সম্পাদক (ভাঃপ্রাঃ) মো. আনিসুর রহমান আনিস স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে পিপরুল ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি লিটন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আরব আলীকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতাদের কোনো অপকর্মের দায় দল নেবে না এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম জানান, চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com