টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে রীতিমতো ঝড় তুলেছে ভারত। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে তিন ফিফটির সৌজন্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ২৫৫ রান করেছে ভারত। আর তাতেই ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে স্যামসন-অভিষেকরা। এবারের বিশ্বকাপে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। প্রথমটিও ভারতের।
আহমেদাবাদে টস জিতে ভারতকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। ব্যাট করতে নেমে প্রথম দুই ওভার দেখে-শুনেই খেলেন ভারতের দুই ওপেনার। এরপর কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হতে থাকেন তারা। একের পর এক চার-ছক্কায় প্রথম ছয় ওভারে বিনা উইকেটে ৯২ রান পেয়ে যায় ভারত।
মাত্র ১৮ বলেই ফিফটি তুলে নেন অভিষেক শর্মা। এরপর অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। ২১ বলে ৫১ রান করে আউট হন তিনি।
দ্বিতীয় উইকেটে খেলতে নামেন ইশান কিষাণ। এবার তাকে নিয়েই ব্যাট হাতে ক্রিজে তাণ্ডব চালাতে থাকেন স্যামসন। ফিফটি পূরণের পর ছিলেন সেঞ্চুরি পথেই। কিন্তু আগের দুই ম্যাচের মতো এবারও শতকের দেখা পেলেন না তিনি। আউট হয়েছেন ৮৯ রানে। মাত্র ৪৬ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি পাঁচটি চার ও আটটি ছয়ে সাজানো।
এদিকে ফিফটির দেখা পেয়েছেন ইশান কিষাণও। চারটি করে চার ও ছক্কায় মাত্র ২৫ বলে ৫৪ রান করে আউট হন তিনি। তবে সুবিধা করতে পারেননি দলনেতা সূর্যকুমার যাদব। প্রথম বলেই কোনো রান না করে সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। ১৩ বলে ১৮ রান করে ফেরেন হার্দিক পান্ডিয়া।
শেষদিকে ঝড়ো ব্যাটিং করেন শিবম দুবে। মাত্র ৮ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন এই বাঁহাতি পেসার। আর ৬ বলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিলক ভার্মা।
নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে সফল বোলার জেমস নিশাম। সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন তিনি। ম্যাট হেনরি ও রাচিন রবীন্দ্র একটি করে উইকেট নেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com