সরকার ঘোষিত চাল আমদানির সময়সীমা শেষ হয়েছে। দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে গত ১৬ কার্যদিবসে ৩২টি চালানের মাধ্যমে মোট ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন নন-বাসমতি মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। এসব চাল ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে।
বন্দর সূত্র জানায়, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এসব চালের চালান বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে। ১৬ দিনে ৩২টি চালানের মাধ্যমে মোট ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন।
আমদানিকৃত চালের দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স এবং কেবি এন্টারপ্রাইজ। এসব চাল বন্দর থেকে ছাড় করানোর কাজ করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ। এর আগে গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল।
সরকার চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় এবং এর সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ১০ মার্চ পর্যন্ত। ওই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল দেশের বাজারে সরবরাহ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বেনাপোলের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, ভারত থেকে ১৬ দিনে ১৪১ ট্রাকে প্রায় ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত প্রতি কেজি চাল আমদানিতে খরচ পড়েছে প্রায় ৫০ টাকা এবং খোলা বাজারে প্রতি কেজি চাল ৫১ টাকায় বিক্রি করা হবে বলে তিনি জানান।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ভারত থেকে আমদানি করা চালের চালানগুলো দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com