উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা কুড়িগ্রামে রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। জেলার সার্বিক উন্নয়ন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের মাধ্যমে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, কুড়িগ্রামে রেল যোগাযোগের দীর্ঘ ইতিহাস থাকলেও অবকাঠামোগত ঘাটতি ও আধুনিকায়নের অভাবে জেলার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
এতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। প্রস্তাবগুলো হলো— কুড়িগ্রাম-নাগেশ্বরী-ভূরুঙ্গামারী-সোনাহাট রেললাইন পুনঃস্থাপন, ধরলা সেতুর পাশে রেলসেতু নির্মাণ, কুড়িগ্রাম-চিলমারী-গাইবান্ধা হয়ে ঢাকার সঙ্গে বিকল্প রেল করিডোর চালু এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে রেল সংযোগ জোরদার করা।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সোনাহাট স্থলবন্দর পর্যন্ত রেল সংযোগ চালু হলে ভারতের আসাম রাজ্যের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হবে। পাশাপাশি ভুটানকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম ঘিরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
স্থানীয়দের মতে, রেল যোগাযোগ উন্নত হলে জেলার মানুষের জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বাসিন্দা জিল্লুর রহমান বলেন, রেললাইন হলে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। নাগেশ্বরীর বাসিন্দা ওমর ফারুক বলেন, ঢাকায় যাতায়াতে সময় কমবে এবং ভোগান্তি হ্রাস পাবে।
কুড়িগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে রেল যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কুড়িগ্রাম থেকে সোনাহাট হয়ে ভারতের আসাম এবং গাইবান্ধা হয়ে ঢাকার সঙ্গে রেল সংযোগ স্থাপন জরুরি।
আবেদনটি জমা দেন কুড়িগ্রাম জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবুসহ অন্যান্য
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com