
( প্রথম অধ্যায় -২য় পর্ব)
পরীক্ষার পড়া বাদ দিয়ে ঘুমানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই মেলোডি স্বপ্ন দেখতে শুরু করলো, সেটাও স্ট্রিং থিওরী নিয়েই। প্রথমে সে নিজেকে দেখতে পেলো স্ট্রিং থিওরীর প্রথম ডাইমেনশন অনুযায়ী একটা বিন্দু হিসাবে। কখনো লাল, কখনো বেগুনি, নীল, গোলাপি নানান রঙ ধারণ করছে সেই একটি বিন্দুই। হাত নেই, পা-মাথা-চোখ, কান ইত্যাদি শারীরিক অবয়বের কিছুই নেই এখানে বিন্দু মেলোডির। তবে পোশাক মনে হয় আছে গায়ে। আর সেই পোশাকের রঙই পাল্টে যাচ্ছে বারবার।
কিন্তু বিন্দুটা দেখা যাচ্ছে মেলোডির মতোই ছটফটে চঞ্চল স্বভাবের। একবার উঠে গিয়ে বসছে গাছের মগডালে, একবার ট্রাফিক পুলিশের নাকের ডগায় জমে থাকা ঘামের উপর গাড়ির হেডলাইটের প্রতিচ্ছবি হয়ে, আরেকবার বাজারের মাছের ঝাঁপিতে তরতাজা ইলিশ মাছের চোখের মনিতে, বিমানের ল্যান্ডিং লাইটে, তারার মিটিমিটি আলোয়। আশ্চর্য তো!
কোনো দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা না থাকা সামান্য এক ফুটকী বিন্দুর জীবন যে এতো মজার, তা তো জানা ছিলো না মেলোডির। একথা ভাবতেই পাশ থেকে বিবর্ণ মলিন হয়ে প্রায় মুছে যাওয়া একটা বিন্দু বললো, " আরে বোকা মেয়ে, আসল মজা তো এই এক ফুটকী বিন্দু হওয়ার মধ্যেই। পুরো মাল্টিভার্স, ইউনিভার্স, মানে বিশ্বব্রক্ষ্মান্ডের সবকিছু যতো বড় ই হোক না কেন, সবই এই বিন্দুর খেলা একটার সাথে আরেকটা বিন্দু মিলেই সবকিছু সৃষ্টি হয়েছে। কেন তুমি বইতে কবিতা পড়োনি?
ছোট বালুকার কণা,
বিন্দু বিন্দু জল,
গড়ি তোলে মহাদেশ,
সাগর অতল। "... এই কবিতা কতো ছোট বেলায় পড়েছে মেলোডি। কিন্তু কোনোদিন এভাবে তো ভেবে দেখেনি।
আচ্ছা, মানুষ না হয়ে জন্ম নিয়ে, শুধু একটা ঝলমলে বিন্দু হয়ে জীবন কাটাতে পারলে কেমন হতো? ঘুমের মধ্যেই খানিকক্ষণ একথা ভাবলো মেলোডি। তার স্বপ্নের ভেতর থাকা প্রায় মুছে যাওয়া ক্ষীনকায় বুড়ো বিন্দু দাদু টেলিপ্যাথির মাধ্যমে তার মনের এই কথা পড়ে ফেললেন। প্রায় সাথে সা
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com