পাবনার ঈশ্বরদীতে জ্বালানি তেলের কোনো প্রকৃত সংকট নেই; বরং কিছু ব্যক্তি পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে বাসায় মজুদ রেখে বারবার পাম্পে এসে তেল নেওয়ার মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে—এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এক পাম্প মালিক।
খায়রুল ফিলিং স্টেশনের মালিক খায়রুল ইসলাম বলেন, “তেলের ঘাটতি নেই। কিছু অসাধু ব্যক্তি তেল মজুদ করে পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। সরকারিভাবে প্রতিটি বাড়িতে তল্লাশি চালানো হলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।”
তিনি জানান, সম্প্রতি ঈশ্বরদীতে এক কালোবাজারির কাছ থেকে প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
পাম্প মালিক খায়রুল ইসলাম আরও বলেন, তাদের স্টেশনে সুশৃঙ্খলভাবে তেল বিতরণ করা হচ্ছে। প্রত্যেক গ্রাহককে কার্ডের মাধ্যমে সপ্তাহে একদিন তেল দেওয়া হচ্ছে। একই ব্যক্তি একাধিকবার তেল নিতে না পারায় এ পদ্ধতিতে কোনো সংকট তৈরি হচ্ছে না। তিনি মনে করেন, এ ধরনের ব্যবস্থা সব পাম্পে চালু করা গেলে তেলের কৃত্রিম সংকট অনেকটাই দূর হবে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীদেরও মত, নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে এবং নিয়ন্ত্রিতভাবে তেল বিক্রি করলে সংকট কমে আসবে।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মুহাম্মদ শোয়াইব জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তেল বিক্রি নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং তেলের কোনো ঘাটতি নেই। তিনি সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী তেল সংগ্রহের আহ্বান জানান।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com