কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলাকে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনার প্রেক্ষিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন মহেশখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু বক্কর ছিদ্দিক।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মহেশখালীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছিল। ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ চাঁদাবাজদের কবলে পড়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একাধিক অভিযান পরিচালনা করে চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় টহল জোরদার ও সন্দেহভাজনদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসতে শুরু করেছে।
আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, “মহেশখালীকে একটি শান্তিপূর্ণ, উন্নয়নমুখী ও বিনিয়োগবান্ধব অঞ্চলে গড়ে তুলতে চাই। চাঁদাবাজি বন্ধ হলে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারিত হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।”
স্থানীয় জনগণও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের আশা, প্রশাসনের এ কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকলে মহেশখালী থেকে চাঁদাবাজি সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা সম্ভব হবে।
শেষে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করে একটি নিরাপদ ও সুন্দর মহেশখালী গড়ে তুলতে হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com