পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের প্রধান সামাজিক ও প্রাণের উৎসব বিজু, বৈসু, সাংগ্রাই ও বিষু আগামী ১২ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। উৎসবকে ঘিরে পাহাড়ি জনপদজুড়ে এখন সাজ সাজ রব বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে উৎসবের তাৎপর্য ও বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এই উৎসব এখন আরও ব্যাপকভাবে উদযাপিত হবে। প্রতিটি সম্প্রদায় তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও নাম অনুযায়ী উৎসব পালন করবে। যেমন— চাকমাদের ‘বিজু’, ত্রিপুরাদের ‘বৈসু’, মারমাদের ‘সাংগ্রাই’, তঞ্চঙ্গ্যাদের ‘বিষু’, ম্রোদের ‘চাংলান’ এবং চাকদের ‘চাংক্রান’।
তিনি বলেন, অতীতে সীমিত কিছু গোষ্ঠীর মধ্যে উৎসব সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন সব জাতিসত্তার সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ১২ এপ্রিল ভোরে নদ-নদীতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে ‘ফুল বিজু’ বা ‘ফুল বৈসু’ দিয়ে উৎসবের সূচনা হবে। ১৩ এপ্রিল মূল উৎসব পালিত হবে এবং ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ উদযাপনের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে। মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ‘জলখেলি’ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকবে।
উৎসবকে কেন্দ্র করে তিন পার্বত্য জেলায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়, যাতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা নির্বিঘ্নে উৎসব উপভোগ করতে