চট্টগ্রামের মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড এলাকায় কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে অনিয়ন্ত্রিত সম্পর্কের বিস্তার, আবাসিক হোটেলের অপব্যবহার এবং অল্প বয়সে আবেগনির্ভর সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ বাড়ছে সচেতন মহলে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক আবেগ, প্রলোভন, উপহার কিংবা তথাকথিত ‘ট্রিট’-এর বিনিময়ে সম্পর্ক গড়ে উঠছে, যার ফলে অনেক কিশোরী মানসিক, সামাজিক ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিতে পড়ছে। বিষয়টি পরিবার ও সমাজে অস্থিরতা তৈরি করছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি সুস্থ ও স্থিতিশীল পরিবার গঠনে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, দায়িত্ববোধ, পারস্পরিক সম্মান ও সামাজিক প্রতিশ্রুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এর বিপরীতে দায়িত্বহীন সম্পর্কের প্রবণতা সমাজে এক ধরনের নৈতিক সংকট সৃষ্টি করছে।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, অনেক তরুণ-তরুণী দীর্ঘ সময় ব্যয় করছে আবেগনির্ভর সম্পর্কের পেছনে, অথচ বৈধ সামাজিক বন্ধন ও দায়িত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে অনীহা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর ফলে নারীর মর্যাদা, পারিবারিক মূল্যবোধ ও সামাজিক ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
সামাজিক সচেতন মহলের অভিমত, এটি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয় নয়; বরং পরিবার, শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে জড়িত একটি বৃহত্তর সমস্যা। তারা অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা জোরদার এবং সামাজিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
এ বিষয়ে একাধিক সচেতন নাগরিক বলেন, “আবেগনির্ভর সম্পর্ক যদি দায়িত্বহীনতায় পর্যবসিত হয়, তবে তা ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।”
তাদের মতে, সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এ প্রবণতা সমাজে আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com