ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের খান্দুরা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সুপারিনটেনডেন্ট মাওলানা জহিরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে নানা অভিযোগ উঠেছে। ডিভোর্সের পরও সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে একত্রে বসবাসের অভিযোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর জহিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী লায়লি ইসলামের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। তবে এলাকাবাসীর একটি অংশের দাবি, বিচ্ছেদের পরও তারা একসঙ্গে বসবাস করে আসছেন, যা আইনগত ও সামাজিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।
এদিকে, জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও অনৈতিক আচরণ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। প্রায় ৪-৫ মাস আগে এসব অভিযোগের প্রতিবাদে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি সৈয়দ সোহেল আবদাল বলেন, “অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কিছু শিক্ষার্থীর অভিযোগ, পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হতো। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি জানান তারা।
অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com