কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সায়দাবাদ এলাকায় জিনজিরাম নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেছেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (মোস্তাক)। এই পরিদর্শনকে এলাকাবাসী কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন।
দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা ‘রাবার ড্রাম ব্রিজ’ প্রকল্পটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রস্তাবিত সেতুটি বাস্তবায়িত হলে সায়দাবাদ ও খেয়ারচর এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রকৌশলীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জিনজিরাম নদীর মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ, নদীর দুই তীরের সবুজ শোভা এবং শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ পর্যটন সম্ভাবনার জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
খেয়ারচর এলাকার বাসিন্দা আক্কাস আলী বলেন, নদীর দক্ষিণ পাশ থেকে বিক্রিবিল পর্যন্ত বিস্তৃত প্রাকৃতিক দৃশ্য যে কোনো দর্শনার্থীকে মুগ্ধ করবে। স্থানীয় যুবক শাকিলের মতে, সায়দাবাদ থেকে রাবার ড্রাম এলাকা পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশের গাছপালা ও নদীর সৌন্দর্য মিলিয়ে এক অনন্য পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, এলাকাটিকে পরিকল্পিতভাবে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুললে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রসার এবং জীবনমানের উন্নয়ন সম্ভব।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বর তৎকালীন সংসদ সদস্য মোঃ রুহুল আমিন ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান (বঙ্গবাসী) ৮৫ মিটার দীর্ঘ রাবার ড্রাম প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তবে দীর্ঘ সময়েও প্রকল্পটি পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রত্যাশিত সুফল পায়নি এলাকাবাসী।
বর্তমান সংসদ সদস্যের সক্রিয় উদ্যোগে সেই স্থবিরতা কাটবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা—রাবার ড্রাম এলাকাকে দ্রুত আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হলে এটি উত্তরবঙ্গের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্যে পরিণত হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com