কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় এক গৃহবধূকে ঘিরে দুই ব্যক্তির স্বামী দাবি ও স্বর্ণালঙ্কার ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার ফলুয়ার চর নৌকা ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ওই নারীকে থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেহেরুন নেছা নামে ওই নারীর বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায়। প্রায় ১৩ মাস আগে তার প্রথম বিয়ে হয়। প্রথম স্বামীর অভিযোগ, বিয়ের পর তিনি স্ত্রীকে প্রায় তিন লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার উপহার দেন। সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, তার স্ত্রী অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে নতুন করে সংসার করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, পরে মেহেরুন নেছা কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার অষ্টমীর চর ইউনিয়নের রুবেল মিয়ার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিষয়টি জানতে পেরে প্রথম স্বামী বৃহস্পতিবার ফলুয়ার চর নৌকা ঘাট এলাকায় তাদের মুখোমুখি হন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হলে স্থানীয়রা জড়ো হন।
প্রথম স্বামীর দাবি, তিনি স্ত্রীকে আর সংসারে নিতে চান না; তবে দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার বা সমপরিমাণ অর্থ ফেরত চান। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্বামী রুবেল মিয়া দাবি করেন, মেহেরুন নেছা বর্তমানে তার বৈধ স্ত্রী।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে রৌমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীকে থানায় নিয়ে আসে।
রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাওসার আলী জানান, “ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। উভয় পক্ষের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। স্থানীয়দের অনেকে বিষয়টিকে পারিবারিক ও আইনি জটিলতা হিসেবে দেখছেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com