বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ৪নং থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের দাড়িয়াপুর গ্রামের বাবলু মিয়ার ছেলে ওবায়দুল ইসলাম দীর্ঘ ৯ মাস ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা এই তরুণের অসহায় অবস্থার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের পাশাপাশি নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও এগিয়ে আসেন।
খবরটি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল রানা দ্রুত উদ্যোগ নেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি দাড়িয়াপুর গ্রামে ওবায়দুলের বাড়িতে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
ওবায়দুল ইসলাম জানান, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে নিয়মিত কেমোথেরাপি নিতে হচ্ছে, যার প্রতিটি সেশনে প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়। দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়ে যাওয়ায় পরিবারটি এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। চিকিৎসা চালাতে গিয়ে জমি-জমা, গহনা ও ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্র পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ সময় একই এলাকার আরেক ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী রাজিয়া বেগমের পাশেও দাঁড়ায় উপজেলা ছাত্রদল। তাকেও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল রানা বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ দেখে তারা মানবিকভাবে উদ্বুদ্ধ হয়ে দ্রুত ওবায়দুল ও রাজিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন, “মানুষ মানুষের জন্য—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা সামান্য সহায়তা নিয়ে তাদের পাশে এসেছি। ভবিষ্যতেও অসহায় মানুষের পাশে ছাত্রদল থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবানদের উচিত এই ধরনের অসহায় রোগীদের পাশে দাঁড়ানো, যাতে তারা চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারেন।
এসময় উপজেলা ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com