ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের ধুপাখোলা এলাকায় নির্মাণাধীন ব্রিজের ধীরগতির কাজের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাত ইউনিয়নের মানুষ। দীর্ঘ তিন বছরেও ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকদের।
স্থানীয়দের ভাষ্য, উপজেলার ১০ ইউনিয়নের মধ্যে ৭ ইউনিয়নের মানুষের জেলা সদরে যাতায়াতের প্রধান সড়ক এটি। প্রায় ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের অন্যান্য অংশের উন্নয়ন কাজ শেষ হলেও ধুপাখোলা এলাকার প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ ফুট অংশ এখনো কাঁচা থাকায় সেটিই পরিণত হয়েছে ‘মরণফাঁদে’।
এলাকাবাসী জানান, শুষ্ক মৌসুমে রাস্তাজুড়ে বালুর স্তূপ থাকায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। আর সামান্য বৃষ্টিতেই কাদা ও জলাবদ্ধতায় পুরো এলাকা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধুপাখোলা ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু হয় প্রায় তিন বছর আগে। এ পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৬৫ শতাংশ। বাকি কাজ শেষ হতে আরও কয়েক বছর লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে নিম্নমানের কার্পেটিং ও ভারী বৃষ্টির কারণে সড়কের বিভিন্ন অংশে ইতোমধ্যে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে সড়কের ক্ষতি আরও বাড়বে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়রা একাধিকবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ তাদের।
ভুক্তভোগীরা জানান, ব্রিজ নির্মাণে সময় লাগলেও অন্তত কাঁচা অংশটুকু দ্রুত কার্পেটিং করে চলাচলের উপযোগী করা জরুরি। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com