দেশে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। প্রতিটি ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ, প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে সরব হলেও অধিকাংশ ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সচেতন মহলের মতে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধীদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি আলোচিত ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পরিবার দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানালেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার কার্যক্রম দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকে।
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, ধর্ষণ শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়, এটি মানবতা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিরুদ্ধে জঘন্য আঘাত। অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয়, অর্থনৈতিক প্রভাব বা ক্ষমতার কারণে যেন কোনো ধরনের ছাড় না পায়, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়া জরুরি।
বিশ্লেষকদের মতে, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুত বিচার, কার্যকর তদন্ত এবং আইন প্রয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে সচেতনতা বৃদ্ধিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
সাধারণ মানুষও বলছেন, কেবল ঘটনার পর শোক বা প্রতিবাদ নয়, বাস্তব অর্থে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন। এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে নারী ও শিশুরা নিরাপদভাবে চলাফেরা করতে পারবে এবং অপরাধীরা আইনের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে।
সচেতন নাগরিকদের ভাষ্য, অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় থাকতে পারে না। অপরাধ করলে তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করাই রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com