প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ২৪, ২০২৬, ২:২১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ২৪, ২০২৬, ১২:৩১ এ.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছিনতাইকৃত সিএনজি উদ্ধার, চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ছিনতাইকৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে শহরের পীরবাড়ী এলাকা থেকে ছিনতাইকৃত সিএনজিটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে সুলতানপুর-কাউতলী হাইওয়ে সড়কের ভাদুঘর-রামরাইল ব্রিজের পশ্চিম পাশে মোঃ আব্দুল হাকিমের সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাই করা হয়। এ সময় অজ্ঞাতনামা ছিনতাইকারীরা চালককে মারধর করে হাত-পা বেঁধে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে সিএনজিটি নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের অংশ হিসেবে গত ২১ মে রাত ৩টার দিকে ভাদুঘর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মূল সন্দেহভাজন মোঃ আব্দুল্লাহ ওরফে সাহস মিয়াকে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে বাদীও তাকে শনাক্ত করেন।
আব্দুল্লাহর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২২ মে থেকে ২৩ মে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ভাদুঘর ও আশপাশের এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ছিনতাইয়ে সরাসরি জড়িত পায়েল পাঠান এবং চোরাই সিএনজি কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ইয়াছিন ও সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের তথ্য অনুযায়ী শহরের পীরবাড়ী এলাকা থেকে ছিনতাইকৃত সিএনজিটি উদ্ধার করা হয়। পরে বাদীর শনাক্তের মাধ্যমে সেটি জব্দ করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আব্দুল্লাহ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি জানান, তিনজনে মিলে সিএনজিটি ছিনতাই করে বিক্রি করে দেন এবং এ ঘটনায় তিনি ২০ হাজার টাকা পান।
পুলিশ আরও জানায়, আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে চুরি ও ডাকাতিসহ ৪টি, পায়েলের বিরুদ্ধে ২টি, ইয়াছিনের বিরুদ্ধে ১টি ছিনতাই এবং সাদ্দামের বিরুদ্ধে ১টি চুরির মামলা রয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, এ ঘটনায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত চারজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জেলায় ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।