
বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩ নম্বর ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ফেতাইন্যাছড়া এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র প্রকাশ্যে দিন-রাত বালু উত্তোলন ও পরিবহনে জড়িত থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির পেছনের ফেতাইন্যাছড়া এলাকায় একাধিক স্থানে অবাধে বালু উত্তোলন চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব ও একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে কৃষিজমি, বসতভিটা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। কেউ প্রতিবাদ করলে বা প্রশাসন ও সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করলে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছে, প্রশাসনের চোখের সামনেই কীভাবে এ ধরনের পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে। তাদের দাবি, দ্রুত অভিযান চালিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
উল্লেখ্য, এর আগেও ফাঁসিয়াখালীর পেতাইন্যাছড়া এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে ৬ জনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। ওই অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুপায়ন দেব।
এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন বলেন,
“পরিবেশ ধ্বংসকারী ও অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশ ধ্বংসকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com