
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদে একটি খালি কফিন ভেসে আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে কফিনটি উদ্ধার করে পরীক্ষা করা হলে ভেতরে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের পরামর্শে পরে সেটি আবার নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।
সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর (টানমলামারি) এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে কফিনটি ভাসতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আউয়াল (৩৫) কৌতূহলবশত কফিনটি নদী থেকে তুলে তীরে নিয়ে আসেন।
পরে কফিনটি খুলে দেখা যায়, এর ভেতরে কিছুই নেই। এরপর তিনি সেটি নিজের বাড়িতে নিয়ে গেলেও স্থানীয়দের পরামর্শে আবার নদীতে ভাসিয়ে দেন।
আব্দুল আউয়াল বলেন, প্রথমে বিষয়টি না বুঝে কফিনটি বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। পরে এলাকাবাসীর পরামর্শ অনুযায়ী সেটি আবার নদীতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ইব্রাহীম খলিল, মোজাম্মেল হক ও ফারুক হোসেন জানান, তাদের ধারণা, কফিনটি উজানের কোনো এলাকা থেকে স্রোতে ভেসে এসেছে। তারা বলেন, চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে কোনো মরদেহ দাফন করা সম্ভব না হলে কফিনসহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে। প্রবল স্রোতে মরদেহ ও কফিন আলাদা হয়ে গিয়ে শুধু কফিনটি এ এলাকায় পৌঁছাতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন। তবে এটি শুধুই তাদের অনুমান।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রথমে কফিনের ভেতরে মরদেহ থাকার আশঙ্কায় তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। পরে সেটি খালি পাওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে অনেক মানুষ কৌতূহলবশত কফিনটি দেখতে সেখানে জড়ো হন।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আজম বলেন, এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা কেউ পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তিনি শুনেছেন, একটি খালি কফিন নদীতে ভেসে এসেছিল। পরে স্থানীয়রা সেটি আবার নদীতে ভাসিয়ে দিলে তা স্রোতে ভেসে চলে যায়
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com