‘এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার’—এই দাবিকে সামনে রেখে এনটিআরসিএর নিবন্ধিত সনদধারীদের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন কুড়িগ্রাম পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা যুবদলের সদস্য মো. আল-আমিন মন্ডল (সাধন)।
সোমবার (৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হাজারো মেধাবী প্রার্থী যোগ্যতা অর্জন করেও চাকরি থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এটি শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও মেধার যথাযথ মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও একটি বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে।
আল-আমিন মন্ডল বলেন, তিনি ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে এসে বর্তমানে কুড়িগ্রাম পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জেলা যুবদলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি এনটিআরসিএর ১২তম শিক্ষক নিবন্ধনের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের একজন সনদধারী।
তিনি অভিযোগ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব, তদবির ও নানা অনিয়মের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে যোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রথম থেকে দ্বাদশ ব্যাচ পর্যন্ত অসংখ্য নিবন্ধিত শিক্ষক, যারা এনটিআরসিএর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সনদ অর্জন করেছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগবঞ্চিত রয়েছেন।
আল-আমিন মন্ডল বলেন, “যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও হাজারো নিবন্ধিত শিক্ষককে বিভিন্ন বৈষম্য ও অনিয়মের কারণে নিয়োগ থেকে দূরে রাখা হয়েছে। এটি শুধু অন্যায় নয়, রাষ্ট্রের মূল্যবান মানবসম্পদেরও অপচয়।”
তিনি আরও বলেন, “‘এনটিআরসিএ’র সনদ যার, চাকরি তার’—এই নীতির বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিবন্ধিত সকল সনদধারীকে দ্রুত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এতে দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।”
তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি স্বচ্ছ, বৈষম্যহীন ও সম্পূর্ণ যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বিঃদ্রঃ এ প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগ ও দাবিগুলো মো. আল-আমিন মন্ডল (সাধন)-এর বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com