প্রিন্ট এর তারিখঃ মার্চ ৮, ২০২৬, ৪:৪৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ৬:৩৬ পি.এম
কালীগঞ্জে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে বিএনপি নেতা কর্মীদের বাক বিতান্ডতা

হাফিজুর রহমান কালীগঞ্জ সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ
মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিজয়স্তম্ভে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাক বিতাণ্ডতা। অবশেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার দুঃখ প্রকাশ করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রতি বছরের ন্যায় মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮ টায় সোহরাওয়ার্দী পার্কে অবস্থিত বিজয়স্তম্ভে সর্ব প্রথমে উপজেলা প্রশাসন পুষ্প মাল্য অর্পনের মাধ্যমে বাকি অন্যান্য সংস্থা ,প্রতিষ্ঠান সমূহের পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। কিন্তু এবার সকাল ৭ টার জায়গায় পুষ্পমাল্য অর্পণের সময় বাড়িয়ে সকাল ৮টা করা হয়। তাছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের তদারকি ও অব্যবস্থাপনার কারণে রাত ১২ টা ১ মিনিটে অনেক রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো পুষ্প মাল্য অর্পণ করতে দেখা যায়। সুচি অনুযায়ী সকাল সাড়ে ৭ টা থেকে উপজেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন সামাজিক সাংবাদিক সংগঠন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্কুল কলেজগুলো পুষ্পস্তবক নিয়ে বিজয়স্তম্ভে অপেক্ষা করতে থাকে। অব্যবস্থাপনা ও তদারকির অভাবে সকাল ৮ টা বাজার ১০ মিনিট আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাতক্ষীরা- ৩ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ডাঃ শহিদুল আলম তার বিশাল এক নেতাকর্মীদের বহর নিয়ে সরাসরি বিজয়স্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করলেও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন বাধা দেওয়া হয়নি। ঐ মুহূর্তে সহকারী কমিশনার (ভূমি )মইনুল ইসলাম খান হাজির হয়ে জুতা পায়ে দিয়ে বিজয়স্তম্ভে উঠে ফুল দিতে বিএনপি নেতা কর্মীদের বাধা দেয়। বাধা ও তার রুক্ষ ব্যবহারের ফলে ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা এসিল্যান্ডের সঙ্গে বাকবিতান্ডে জড়িয়ে পড়ে। এবং সহকারি কমিশনার (ভূমি ) মইনুল ইসলাম খানকে আওয়ামী দোসর বলে স্লোগান দিতে থাকে। পরে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার বিএনপি নেতা কর্মীদের নিকট দুঃখ প্রকাশ করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে বিএনপি'র অর্পণ করা পুষ্পস্তবকটি সরিয়ে নিয়ে পুনরায় উপজেলা প্রশাসন পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে বিএনপি'র দেওয়া পুষ্পমাল্য বিজয়স্তম্ভে রাখা হয়। ওই সময় উপস্থিত থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কালিগঞ্জ সার্কেল রাজিব হোসেন ও কালিগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ জুয়েল হোসেন নেতাকর্মীদের বুঝিয়ে উপস্থিত নেতাকর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা করে। এর আগেও সদ্য যোগদানকারী সহকারী কমিশনার (ভূমি ) মইনুল ইসলাম খানের আচরণ নিয়ে উপজেলা জুড়ে নানা আলোচনা সমালোচনার ঝড় বয়ে চলেছে। বিষয়টি নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com