
সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড, সয়াধানগড়া পশ্চিম কাজিপুর মোড় ও দক্ষিণ খানপাড়া, জগাইমোড় সহ সুবিধা বঞ্চিত পৌর এলাকা যেনো পৌরসভার বিচ্ছিন্ন একটা অংশ। গত ২বছরে মশা নিধন যন্ত্র এই দুই এলাকায় কানো কার্যক্রম পরিচালনা করেন নি। নেই কোন ডাস্টবিন, যেখানে সেখানে ময়লা আর আবর্জনা নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে এই দুই এলাকার মানুষদের। শুধু মাত্র পৌর ট্যাক্স বকেয়া পরলে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের লোক আসে তাছাড়া আর কিছু করেন না। পৌরসভার পানির লাইনের বিভিন্ন যায়গায় ফুটো হয়ে পানি রাস্তা দিয়ে গড়াচ্ছে। এতে করে যেমন বেরেছে জন দুর্ভোগ তেমনি ক্ষতি হচ্ছে রাস্তারো। প্রতিদিন দুইবার সাপ্লাই পানি আসলেই সকাল-বিকাল রাস্তা ভিজে থাকছে। এতে করে সিমেন্ট এর কার্যকারীতা নষ্ট হয়ে রাস্তা ড্যাম হচ্ছে। যা পরবর্তীতে রাস্তার ক্ষতি করবে। একদিকে রাস্তার ক্ষতি অন্য দিকে জনসাধারণের যাতায়াতের সমস্যা সৃষ্টি করছে। রাতে যখন রাস্তা ভিজে থাকে তখন অনেকেই সেখানে দেখতে পান না। ইতিমধ্যেই দুজন বয়োবৃদ্ধ মানুষ পিছলে পরে অসুস্থ হয়েছে এবং একজন স্কুল ছাত্রী পরে গিয়ে আঘাত পেয়েছে। তারমধ্যে আরো যুক্ত হচ্ছে চুরি ছিন্তাই। বৈদ্যতিক পোলে লাইট নাই নাই কোন সিসি ক্যামেরা, আগে পৌরসভার দুজন করে প্রহরী সাইকেল চালিয়ে রাতে অন্তত ৩বার নহল দিলেও এখন আর কেউ দেখে না সেই পৌর টহল। স্থানীয় এক মুরুব্বি জানান শুধু পৌর ট্যাক্স- নাগরিক সনদ- জন্ম নিবন্ধন সনদ, পোলিও টিকা ছাড়া আর কোন সুবিধা পাচ্ছে না এলাকাবাসী। এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জনাব- নুর কায়েম সবুজ বলেন, আমি নিজে আমার এলাকা সয়াধানগড়ার বিভিন্ন সমস্যার কথা পৌর ইন্জিনিয়া সাথে বলেছি এবং পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে কল দিয়ে কথা বললেও কোন উত্তর দেন নি। পোলে লাইটের ব্যপারেও কথা বলেছি কিন্তু এখনো কোন কাজ করেন নাই পৌর কর্তৃপক্ষ। "তারা আমাদের থেকে টাকা বুঝে নেবে ১৬ আনা আর আমরা পাবো ৮ আনা" তা হবে না। আমি আমার এলাকার মানুষের পাশে থেকে পৌরসভা সহ আরো বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে গেলে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা - মো: রফিকুল ইসলাম কে ফোন করে যোগাযোগ করলে তিনি ফোনেই তার সমাধান দিয়ে দেন। তিনি বলেন এ বিষয়ে পৌর প্রশাসন বলবেন আমি কিছু বলতে পারবো না, তবে জনাব নুর কায়েম সবুজ একবার কল দিয়ে ছিলো আমি ব্যস্ত থাকায় তার কথা বুঝতে পারিনি। পরবর্তীতে এ ব্যপারে তিনি স্পষ্ট কোন উত্তর দেন নি।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com