প্রিন্ট এর তারিখঃ মার্চ ১০, ২০২৬, ১০:২১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ৭:১৭ পি.এম
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতা মাছুদুল আলমের শোক প্রকাশ
বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক, গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী, স্বৈরাচার থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের অনুপ্রেরণার উৎসস্থল, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। (৩০ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার ভোর ৬.০০টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব, দৃঢ়চেতা আপসহীন লৌহদৃঢ়তা, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে নিরন্তর লড়াই, টেকসই উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার সারথী, গণতন্ত্রের প্রতি অবিচল আস্থা, প্রশাসনিক দক্ষতা, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও মূল্যবোধে অগাধ বিশ্বাস, নারী উন্নয়নের অগ্রপথিক হিসেবে গোটা জাতির আস্থা, বিশ্বাস ও ভালবাসার ঠিকানা হয়ে উঠেছিলেন, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া। দলমত নির্বিশেষে তিনি হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশপন্থী রাজনীতির প্রতীক, ঐক্য ও সংহতির প্রতীক। মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী লড়াই, গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে ওনার অবদান ও ভূমিকা অবিস্মরণীয়। দেশ ও মানুষের স্বার্থে অবর্ণনীয় জুলুম, নিপীড়ন সয়ে গেছেন, পরিত্যক্ত কারাগারের নিঃসঙ্গ বন্দী জীবন যাপন করেছেন, বার্ধক্যেও পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী জীবন বেছে নিয়েছেন, কিন্তু দেশবাসীকে তিনি কোনদিন ছেড়ে যাননি। দলনেতা থেকে পরিণত হয়েছেন সকল বাংলাদেশপন্থীদের নেতায়। জাতির সেই মহান নেতার মৃত্যুতে গোটা জাতি স্তব্ধ, শোকাভিভূত।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি এবং গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি,এম, মাছুদুল আলম শোকবার্তায় বলেছেন, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি বিস্তৃতি ঘটেছে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার। ওনার মৃত্যুতে জাতীয়তাবাদী পরিবারসহ সকলেই শোকাভিভূত। মহান আল্লাহ জাতিকে এই শোক সইবার ও আগামীতে ওনার আদর্শকে বয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি দিন। তিনি আজীবন এদেশের বাংলাদেশপন্থী শক্তির অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন। মহান আল্লাহ ওনাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com