প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সম্মানে ও বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন হেভিওয়েট স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান (সুখন) এবং ব্রাক্ষণবাড়ীয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের এম এ খালেক পিএসসি।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমের কর্মীদের কাছে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান সুখন তাছাড়া ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, প্রিয় নাসিরনগর বাসী আপনারা জানেন ২০০৪ সাল থেকে আমি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বিএনপির পতাকাতলে ছিলাম। আমি প্রয়াত তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সম্মানে এবং দেশ নায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৪৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার উদ্দেশ্যে দাখিল করা আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করছি। আমি আপনাদের সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করি। আমি যেন যে কোনো পরিস্থিতিতে আপনাদের পাশে থাকতে পারি।
অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে নির্বাচনী সমীকরণে বড় ধাক্কা এসেছে। বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল খালেক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর সরাসরি হস্তক্ষেপ ও নির্দেশনার পরই তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন বলে দলীয় ও স্থানীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
গত মঙ্গলবার তারেক রহমানের সঙ্গে আবদুল খালেকের বৈঠকের পরপরই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। বৈঠকের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বাঞ্ছারামপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত খালেকের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের নির্বাচনী হিসাব একেবারেই পাল্টে গেছে।
এ বিষয়ে আবদুল খালেক জানান, তারেক রহমানের সাথে আলোচনার পর তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলের স্বার্থ, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং শীর্ষ নেতৃত্বের আহ্বান বিবেচনায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শনিবার বিকেলে তিনি সমর্থকদের সঙ্গে বসে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানাবেন।
চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রায় ৪০ মিনিটব্যাপী বৈঠকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে তাকে ত্যাগ স্বীকার করতে বলা হয়েছে।