বরগুনার আমতলী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সরকারি জমি দখলকে কেন্দ্র করে চলছে প্রকাশ্য দখল ও কোটি টাকার বাণিজ্য। অভিযোগ রয়েছে, পাউবো আমতলী অফিসের ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. আলমগীরের সহযোগিতায় প্রভাবশালীরা এসব জমি অবৈধভাবে দখল ও ক্রয়-বিক্রয় করছেন। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে লাখ লাখ টাকায় জমি বিক্রি করা হচ্ছে এবং ক্রেতারা কোনো আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছেন। কেউ কেউ দুইতলা-তিনতলা ভবনও গড়ে তুলছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
সম্প্রতি সাংবাদিক জসিম সিকদারের বাসার পাশের সাড়ে চার শতাংশ সরকারি জমি মো. সিদ্দিক মিয়া ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকায় এক প্রভাবশালীর কাছ থেকে কিনে সেখানে পাকা স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া পাউবো অফিসের বাউন্ডারি ওয়ালের উত্তর পাশে আতাহার হাওলাদার, হাকিম আব্দুল হাইসহ আরও অনেকে সরকারি জমি দখল করে ক্রয়-বিক্রয় করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, অভিযোগ দিলে নামমাত্র নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়, দু’একদিন কাজ বন্ধ থাকে, পরে আবার শুরু হয়।
এ বিষয়ে পাউবো আমতলীর উপসহকারী প্রকৌশলী আজিজুর রহমান সুজন বলেন, সিদ্দিকের অবৈধ স্থাপনার বিষয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কাজ বন্ধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, পৌরসভার প্ল্যান ছাড়া এবং সরকারি জমিতে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না, যেকোনো উপায়ে জমি উদ্ধার করা হবে। বরগুনা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হান্নান প্রধান জানান, দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক
মোঃ শাহিন হোসেন
www.dainikabhaynagar.com