August 16, 2026, 1:35 am
শিরোনাম :
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে: নুরুল হক নুর শাহজালাল মাজারের ডেগে মিলল শেখ হাসিনার নামে চিঠি জামায়াত-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষ, এমপি আমির হামজাসহ আহত ১০ কলকাতায় ‘রাত দখল’ মিছিলে অংশ নিয়ে আলোচনায় জয়া প্রকাশ্যে এল মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজ ‘ভিশনকোয়েস্ট’ কন্যা সন্তানের মা হলেন অভিনেত্রী পূজা পুরুষ প্রমাণিত হওয়ায় আজীবন নিষিদ্ধ দুই নারী অ্যাথলেট, বাতিল সব পদক প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে চার পরিকল্পনা তুলে ধরলেন হাসনাত আবদুল্লাহ বিভ্রান্তির রাজনীতি ছেড়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসুন: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের বড় ঘোষণা

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ঢাকায় আসছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট

অভয়নগর প্রতিবেদক

বাংলাদেশের নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসছেন ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু। মালদ্বীপের এই প্রেসিডেন্টের সফরকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্বস্ত কূটনৈতিক সূত্র কালবেলাকে জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস–এর আমন্ত্রণে মালদ্বীপসহ ১৩টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু সরাসরি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন–এর দক্ষিণ প্লাজায় এই ঐতিহাসিক শপথ অনুষ্ঠান হবে। সকাল ১০টায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে শপথ নেবেন। পরে বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

ড. মুইজ্জু ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের নির্বাচনে বিজয়ের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে অভিনন্দন বার্তা দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হতে পারে। বিশেষ করে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দুই দেশের জন্য যৌথ উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অন্যান্য দেশের মধ্যে রয়েছে চীন, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এই শপথ অনুষ্ঠানকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের উপস্থিতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সরকারের প্রতি আস্থার প্রতিফলন বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 



ফেসবুক কর্নার