August 15, 2026, 1:23 pm
শিরোনাম :
ভ্রাম্যমাণ বইমেলার উদ্বোধন, পাঠাভ্যাস গড়তে নানা আয়োজন অনলাইনে আবেদনেই শিক্ষকদের অবসরের টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে: প্রধানমন্ত্রী রিজভী-আমানসহ বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হলেন ৪ নেতা আঠারো চূড়া বিলে ক্যাফে উদ্বোধন ঘিরে বিশৃঙ্খলা, তরুণকে আটকের অভিযোগ গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি বাড়ছে ৫ টাকার মিনি প্যাকে তথ্যহীন বেবি সুইটস চানাচুর, খাদ্যমান নিয়ে প্রশ্ন নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা, উদ্বোধন শনিবার ক্ষুব্ধ বাঁধনের কড়া বার্তা ‘ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না’ সামিটের এলএনজি সরবরাহ বন্ধ, গ্যাস সংকট বাড়ার শঙ্কা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের লিড

চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে হিউম্যান হলার চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নুরু–কাশেম চক্রের হাতে

Reporter Name

স্টার রিপোর্টার
চট্টগ্রাম EPZ ও পতেঙ্গা থানার গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর সড়কে হিউম্যান হলার পরিবহনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি চলছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ক্ষমতাসীন দল ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে পরিচিত নুরু ও কাশেম নামের দুজনের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী চক্র প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।
স্থানীয় পরিবহন–সংশ্লিষ্টদের বরাতে জানা যায়, প্রতিদিন প্রায় ১৫০–২০০ হিউম্যান হলার এই সড়কে চলাচল করে। এর মধ্যে মাত্র ৮০–৯০টি গাড়ির বৈধ রুট পারমিট থাকলেও বাকিগুলো অবৈধভাবে চলাচল করছে। অভিযোগ রয়েছে—নুরু–কাশেম চক্রের কাছে চাঁদা দিলেই অবৈধ গাড়িগুলো নির্বিঘ্নে চলতে পারে।
একজন লাইনম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “পারমিট না থাকলেও চাঁদা দিলে সব ঠিক। নুরু ও কাশেমের লোকেরা দৈনিক ১২০ টাকা ছাড়াও মাসিক ২–৩ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়।”
চাঁদাবাজির অভিযোগ বিষয়ে কাশেমকে ফোনে প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজের নাম প্রকাশ না করে জানান, “আমি একা খাই না। স্থানীয় নেতাদেরও মাসিক দিতে হয়।”
অন্যদিকে EPZ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর কারুজ্জামান দাবি করেন, তারা কাউকে চাঁদাবাজির সুযোগ দেন না এবং নিয়মিত মামলা করছেন। তবে মাঠপর্যায়ে চাঁদাবাজি বন্ধ না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে—কারা এই চক্রকে রক্ষা করছে?
তদন্তে আরও ইঙ্গিত মিলেছে, নুরু–কাশেম চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দর সড়ককে “টাকা তুলার নিরাপদ ক্ষেত্র” হিসেবে ব্যবহার করছে এবং বছরে কয়েক কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করছে।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদন চলবে



ফেসবুক কর্নার