August 15, 2026, 6:01 pm
শিরোনাম :
কন্যা সন্তানের মা হলেন অভিনেত্রী পূজা পুরুষ প্রমাণিত হওয়ায় আজীবন নিষিদ্ধ দুই নারী অ্যাথলেট, বাতিল সব পদক প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে চার পরিকল্পনা তুলে ধরলেন হাসনাত আবদুল্লাহ বিভ্রান্তির রাজনীতি ছেড়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসুন: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের বড় ঘোষণা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: সাবেক আরএমওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি জলিলসহ আটক ৪ ভ্রাম্যমাণ বইমেলার উদ্বোধন, পাঠাভ্যাস গড়তে নানা আয়োজন অনলাইনে আবেদনেই শিক্ষকদের অবসরের টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে: প্রধানমন্ত্রী রিজভী-আমানসহ বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হলেন ৪ নেতা

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা উপস্থিতি: শান্তি ও সার্বভৌমত্বের ভারসাম্য

অসীম রয় বান্দরবান প্রতিনিধ

অসীম রায় (অশ্বিনী), বান্দরবান:
সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আবারও জাতীয় আলোচনায় এসেছে সেনা প্রত্যাহারের দাবিকে ঘিরে। বিভিন্ন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠন “ডিমিলিটারাইজেশন” বা সেনা উপস্থিতি হ্রাসের দাবি তুললেও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সেনাবাহিনীই পাহাড়ের শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রধান ভিত্তি।
১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তিচুক্তির প্রায় তিন দশক পরও পাহাড়ে সশস্ত্র সংঘাত, চাঁদাবাজি ও বিদেশি প্রভাব শান্তি প্রক্রিয়ার বড় বাধা হয়ে আছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য বলছে, আগস্ট থেকে অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত অন্তত ১২টি সংঘর্ষে কয়েকজন নিহত হয়েছেন, যার পেছনে বিদেশে পালিয়ে থাকা নেতাদের যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। ফলে সেনা প্রত্যাহারের দাবি বাস্তবে এসব গোষ্ঠীর কার্যক্রমকে সহজ করার প্রচেষ্টা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পাহাড়ের দুর্গম অঞ্চলে সেনাবাহিনী শুধু নিরাপত্তা রক্ষা নয়, স্কুল, হাসপাতাল, সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। স্থানীয়দের ভাষায়, “সেনাবাহিনী এখন নিরাপত্তার প্রতীক, ভয় নয়।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি কৌশলগত অঞ্চল—মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন এই এলাকায় সেনা উপস্থিতি হ্রাস মানে জাতীয় নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলা। তাই রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, নিরাপত্তা বাস্তবতা বিবেচনায় রেখেই সেনাবাহিনীর ভূমিকা মূল্যায়ন করা জরুরি।



ফেসবুক কর্নার