August 15, 2026, 2:36 pm
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের বড় ঘোষণা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: সাবেক আরএমওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি জলিলসহ আটক ৪ ভ্রাম্যমাণ বইমেলার উদ্বোধন, পাঠাভ্যাস গড়তে নানা আয়োজন অনলাইনে আবেদনেই শিক্ষকদের অবসরের টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে: প্রধানমন্ত্রী রিজভী-আমানসহ বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হলেন ৪ নেতা আঠারো চূড়া বিলে ক্যাফে উদ্বোধন ঘিরে বিশৃঙ্খলা, তরুণকে আটকের অভিযোগ গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি বাড়ছে ৫ টাকার মিনি প্যাকে তথ্যহীন বেবি সুইটস চানাচুর, খাদ্যমান নিয়ে প্রশ্ন নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা, উদ্বোধন শনিবার

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএর অধীনে রাখার দাবি : আতাউর রহমানের

আনোয়ার হোসোইন

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা আগের মতোই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে রাখার দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, দীর্ঘ এক দশক ধরে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি মেধাভিত্তিক কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ, নিবন্ধন সনদ প্রদান এবং যোগ্য প্রার্থীদের শিক্ষক পদে নিয়োগের সুপারিশ করে আসছিল। তার দাবি, এর ফলে ব্যবস্থাপনা কমিটির স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির সুযোগ অনেকটাই কমে এসেছিল।
তিনি বলেন, গত ৩ আগস্ট সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এনটিআরসিএর সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা নিয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সভায় এই পদ্ধতি বাতিল করে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং তা অবিলম্বে বাতিল করে আগের মতো এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা বহাল রাখার দাবি জানাচ্ছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারের মধ্যে দলীয়করণের একটি ক্ষতিকর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে দলীয় নেতাদের নিয়োগ এবং বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে দলীয় ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়েও তিনি সমালোচনা করেন।
তার দাবি, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ব্যবস্থাপনা কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হলে অনিয়ম, অর্থ লেনদেন, রাজনৈতিক সুপারিশ ও স্বজনপ্রীতির সুযোগ তৈরি হতে পারে।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ইতিবাচক সংস্কারের প্রত্যাশা থাকলেও ভালো নিয়ম-নীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে আরও খারাপের দিকে নেওয়া হচ্ছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন কমিটির মাধ্যমে কর্মচারী নিয়োগের যে ব্যবস্থা চালু হয়েছিল, গত ২১ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেটিও বাতিল করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, এসব সিদ্ধান্তের কারণে শিক্ষামন্ত্রীর সদিচ্ছা ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। লাখ লাখ বেকার তরুণের কর্মসংস্থানের সঙ্গে বিষয়টি জড়িত উল্লেখ করে তিনি সরকারের প্রতি সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান সতর্ক করে বলেন, শিক্ষক নিয়োগের এই পদ্ধতি পরিবর্তন করা হলে চাকরিপ্রত্যাশী তরুণদের মধ্যে বড় ধরনের অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। তাই সরকারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে এনটিআরসিএর মাধ্যমে মেধাভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ ব্যবস্থা বহাল রাখার আহ্বান জানান তিনি।



ফেসবুক কর্নার