August 15, 2026, 3:45 pm
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের বড় ঘোষণা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: সাবেক আরএমওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি জলিলসহ আটক ৪ ভ্রাম্যমাণ বইমেলার উদ্বোধন, পাঠাভ্যাস গড়তে নানা আয়োজন অনলাইনে আবেদনেই শিক্ষকদের অবসরের টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে: প্রধানমন্ত্রী রিজভী-আমানসহ বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হলেন ৪ নেতা আঠারো চূড়া বিলে ক্যাফে উদ্বোধন ঘিরে বিশৃঙ্খলা, তরুণকে আটকের অভিযোগ গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি বাড়ছে ৫ টাকার মিনি প্যাকে তথ্যহীন বেবি সুইটস চানাচুর, খাদ্যমান নিয়ে প্রশ্ন নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা, উদ্বোধন শনিবার

হরমুজে হামলা বন্ধ হলে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও

অভয়নগর প্রতিবেদক

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা বন্ধ করলে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনও খোলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে এ জন্য তেহরানকে তার আচরণে বাস্তব পরিবর্তন আনতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

রোববার (১৯ জুলাই) স্থানীয় সময় রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার বিরোধী নয়। তবে যেকোনো সমঝোতা হতে হবে কার্যকর এবং এমন, যা ইরান বাস্তবে মেনে চলবে।

তিনি বলেন, ‘এটি বাস্তবসম্মত হতে হবে। এমন একটি চুক্তি হতে হবে, যা তারা মেনে চলতে প্রস্তুত থাকবে।’

রুবিও’র দাবি, এক সপ্তাহ আগে ইরানের হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার এবং বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে তেহরান তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে।

তার ভাষায়, ‘তাদের আচরণ বদলাতে হবে, তাহলেই আমাদের আচরণও বদলাবে।’

‘ইরানের ভেতরে মতপার্থক্য বাড়ছে’

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও দাবি করেন, ইরানের অভ্যন্তরে এখন দুই ধরনের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একদিকে, এমন গোষ্ঠী রয়েছে, যারা যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত রাখতে চায়। অন্যদিকে, এমন একটি পক্ষ রয়েছে, যারা দেশের অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন।

রুবিও বলেন, ‘ইরানের জন্য ইতিবাচক কিছু করতে চায়—এমন লোকেরা যদি প্রাধান্য পায় এবং আলোচনার দায়িত্ব নেয়, তাহলে সেটি খুবই ইতিবাচক অগ্রগতি হবে।’

ইরানের বিরুদ্ধে অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ

ইরানের অর্থনীতি দুর্বল হওয়ার জন্য দেশটির নেতৃত্বকেই দায়ী করেন রুবিও। তার অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা তেল বিক্রির মাধ্যমে যে অর্থ তেহরান পায়, তার বড় অংশই তারা মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর পেছনে ব্যয় করে।

তিনি বলেন, ইরানের উচিত ছিল সেই অর্থ নিজেদের জনগণের কল্যাণ ও দেশের উন্নয়নে ব্যয় করা।

‘বিশ্বের জাহাজ চলাচল রক্ষার দায়িত্ব নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র’

হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনার মধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে বলেও জানান রুবিও। তার ভাষায়, ‘মূলত বিশ্বের পক্ষ থেকে এসব জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজ আমরা করছি। এখন এই দায়িত্ব পালন করছে শুধু যুক্তরাষ্ট্রই।’

তিনি বলেন, এ কারণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চান, বিশ্বের অন্যান্য দেশও অন্তত এ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যয় বহনে আর্থিক সহায়তা দিক।

রুবিওর মতে, বিশ্বের দেশগুলোকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে—আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথ ইরানের মতো কোনো দেশের নিয়ন্ত্রণে থাকতে দেওয়া হবে কি না। তার দাবি, এ ধরনের পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক আইন ও নিয়মের পরিপন্থী।

তবে রুবিও’র এসব অভিযোগ ও বক্তব্যের বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।



ফেসবুক কর্নার