August 15, 2026, 11:24 pm
শিরোনাম :
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে: নুরুল হক নুর শাহজালাল মাজারের ডেগে মিলল শেখ হাসিনার নামে চিঠি জামায়াত-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষ, এমপি আমির হামজাসহ আহত ১০ কলকাতায় ‘রাত দখল’ মিছিলে অংশ নিয়ে আলোচনায় জয়া প্রকাশ্যে এল মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজ ‘ভিশনকোয়েস্ট’ কন্যা সন্তানের মা হলেন অভিনেত্রী পূজা পুরুষ প্রমাণিত হওয়ায় আজীবন নিষিদ্ধ দুই নারী অ্যাথলেট, বাতিল সব পদক প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে চার পরিকল্পনা তুলে ধরলেন হাসনাত আবদুল্লাহ বিভ্রান্তির রাজনীতি ছেড়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসুন: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের বড় ঘোষণা

কুমিল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রী ও ভাগ্নির মৃত্যু

আইয়ুব রহমান  দেবীদ্বার প্রতিনিধি:

 

 

কুমিল্লার দেবীদ্বারের এক নবদম্পতি ও তাদের ভাগ্নি ঢাকায় গ্যাস সিলিন্ডার/গ্যাস লাইনের বিস্ফোরণজনিত অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন দেবীদ্বার উপজেলার গুনাইঘর ইউনিয়নের বাঙ্গুরী গ্রামের মো. মোমেনের ছেলে আনোয়ার হোসেন শাহিন, তার স্ত্রী ফাহিমা এবং ফাহিমার বড় বোনের মেয়ে শিশু হাফসা।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর শাহিনের সঙ্গে ফাহিমার বিয়ে হয়। প্রায় দেড় মাস আগে তারা ঢাকার উত্তর বাড্ডার ভাটারা এলাকায় একটি ভবনের নিচতলায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তাদের সঙ্গে ঢাকায় যায় শিশু হাফসাও।

গত ২১ জুলাই রাত আনুমানিক ৩টার দিকে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ওই বাসায় বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন দুটি কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে। এতে শাহিন, ফাহিমা ও হাফসা গুরুতর দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে ফাহিমা মারা যান। এর আগে শাহিন ও হাফসাও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

শুক্রবার বাদ মাগরিব দেবীদ্বারের সুলতানপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে শিশু হাফসাকে দাফন করা হয়। শাহিনকে দাফন করা হয় তার গ্রামের বাঙ্গুরী পারিবারিক কবরস্থানে। রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় গোমতী আবাসিক এলাকার চানমিয়া মার্কেট মাঠে ফাহিমার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সকাল সাড়ে ১০টায় স্বামী শাহিনের পাশেই তাকে দাফন করা হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, যে দুই মানুষ সারাজীবন একসঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করেছিলেন, শেষ পর্যন্ত তারা পাশাপাশি কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন।



ফেসবুক কর্নার