August 15, 2026, 5:01 pm
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের বড় ঘোষণা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: সাবেক আরএমওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি জলিলসহ আটক ৪ ভ্রাম্যমাণ বইমেলার উদ্বোধন, পাঠাভ্যাস গড়তে নানা আয়োজন অনলাইনে আবেদনেই শিক্ষকদের অবসরের টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে: প্রধানমন্ত্রী রিজভী-আমানসহ বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হলেন ৪ নেতা আঠারো চূড়া বিলে ক্যাফে উদ্বোধন ঘিরে বিশৃঙ্খলা, তরুণকে আটকের অভিযোগ গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি বাড়ছে ৫ টাকার মিনি প্যাকে তথ্যহীন বেবি সুইটস চানাচুর, খাদ্যমান নিয়ে প্রশ্ন নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা, উদ্বোধন শনিবার

নওগাঁয় এএসপি শ্যামলী রানীর বিরুদ্ধে বাসচালক নির্যাতন অভিযোগে তদন্ত কমিটি

অভয়নগর প্রতিবেদক

নওগাঁর সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) শ্যামলী রানী বর্মণের বিরুদ্ধে এক বাসচালককে কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ প্রশাসন। দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম ‘পুলিশ মিডিয়া গ্রুপ’–এ পাঠানো এক লিখিত বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। জানা যায়, গত ৪ জানুয়ারি সাপাহার থেকে রাজশাহীগামী হিমাচল পরিবহনের একটি বাসে যাত্রাকালে এএসপির স্বামী ও কলেজশিক্ষক জয়ন্ত বর্মণ টিকিট ছাড়া যাত্রা ও সিট নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে বাসচালক বাদল ও সুপারভাইজারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। পরে একই দিন রাতে বাসটি সাপাহারে ফিরে এলে বাসচালককে ডেকে নিয়ে সার্কেল অফিসে শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগকারী বাসকর্মীদের দাবি, অফিসে নিয়ে তাদের মোবাইল আটকানো হয় এবং মারধরের ফলে বাসচালক বাদলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এএসপি শ্যামলী রানী বর্মণ বলেছেন, ঘটনাটি অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তার দাবি, বাসকর্মীদের দুর্ব্যবহারের কারণেই তাদের কার্যালয়ে ডাকা হয়েছিল এবং তারা দোষ স্বীকারের পর ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি মূলত ভুল বোঝাবুঝি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



ফেসবুক কর্নার