August 15, 2026, 2:27 pm
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের বড় ঘোষণা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: সাবেক আরএমওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি জলিলসহ আটক ৪ ভ্রাম্যমাণ বইমেলার উদ্বোধন, পাঠাভ্যাস গড়তে নানা আয়োজন অনলাইনে আবেদনেই শিক্ষকদের অবসরের টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে: প্রধানমন্ত্রী রিজভী-আমানসহ বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হলেন ৪ নেতা আঠারো চূড়া বিলে ক্যাফে উদ্বোধন ঘিরে বিশৃঙ্খলা, তরুণকে আটকের অভিযোগ গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি বাড়ছে ৫ টাকার মিনি প্যাকে তথ্যহীন বেবি সুইটস চানাচুর, খাদ্যমান নিয়ে প্রশ্ন নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা, উদ্বোধন শনিবার

রাতে মাদরাসায় নাইটগার্ড নিয়োগ পরীক্ষা: স্থানীয়দের বাধা, অবরুদ্ধ সুপার ও ডিজির প্রতিনিধি পরিচয়ধারী নারী

অভয়নগর প্রতিবেদক

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পুটিমারি আউলিয়া মাদরাসায় রাতে নাইটগার্ড নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবার (তারিখ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মাদরাসার সুপার, সভাপতি এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির প্রতিনিধি পরিচয়ধারী এক নারীকে স্থানীয়রা অবরুদ্ধ করে রাখেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়ম বহির্ভূতভাবে রাতের আঁধারে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে আশপাশের গ্রামের শত শত মানুষ মাদরাসা প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে পরীক্ষা বন্ধ করে দেন এবং সংশ্লিষ্টদের অবরুদ্ধ করে রাখেন।
মাদরাসা সুপার রুহুল আমিন দাবি করেন, বিধি মেনেই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছিল এবং নিয়োগ পরীক্ষায় ১২ জন অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে সরেজমিনে দেখা যায়, হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর রয়েছে মাত্র ১০ জন পরীক্ষার্থীর এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৩ জন।
স্থানীয়দের আরও দাবি, সন্ধ্যার দিকে একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারে করে ডিজির প্রতিনিধি পরিচয়ে এক নারী ওই মাদরাসায় আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন তার মেয়ে, বোন ও নাতি। রাতের বেলায় নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে সন্দেহ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে মাদরাসা সুপার জানান, ডিজির প্রতিনিধি দেরিতে পৌঁছানোয় পরীক্ষাও দেরিতে শুরু হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পরীক্ষার খাতা ও অন্যান্য কাগজপত্র প্রস্তুতের সময় স্থানীয়রা এসে বাধা দিলে পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির মোল্লা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উত্তেজনা বাড়লে মাদরাসা সুপার ও ডিজির প্রতিনিধি পরিচয়ধারী নারীকে উদ্ধার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।



ফেসবুক কর্নার