August 16, 2026, 2:43 am
শিরোনাম :
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে: নুরুল হক নুর শাহজালাল মাজারের ডেগে মিলল শেখ হাসিনার নামে চিঠি জামায়াত-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষ, এমপি আমির হামজাসহ আহত ১০ কলকাতায় ‘রাত দখল’ মিছিলে অংশ নিয়ে আলোচনায় জয়া প্রকাশ্যে এল মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজ ‘ভিশনকোয়েস্ট’ কন্যা সন্তানের মা হলেন অভিনেত্রী পূজা পুরুষ প্রমাণিত হওয়ায় আজীবন নিষিদ্ধ দুই নারী অ্যাথলেট, বাতিল সব পদক প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে চার পরিকল্পনা তুলে ধরলেন হাসনাত আবদুল্লাহ বিভ্রান্তির রাজনীতি ছেড়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসুন: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের বড় ঘোষণা

শিক্ষক বদলিতে স্বচ্ছতা, স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া চালু করল মন্ত্রণালয়

অভয়নগর প্রতিবেদক

শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষা শেষ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল ও কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬’ জারি করেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাবিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের স্বাক্ষরে এই নীতিমালা প্রকাশিত হয় এবং জারি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি কার্যকর হবে।

নতুন নীতিমালার মূল বৈশিষ্ট্য হলো স্বচ্ছতা এবং স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া। এখন থেকে বদলির জন্য কোনো শিক্ষককে প্রভাবশালীদের দপ্তরে ভিড় দিতে হবে না। পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

নীতিমালার মূল দিকগুলো:

  • মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর শূন্যপদের বিবরণ অনলাইনে প্রকাশ করবে।

  • প্রকাশিত শূন্যপদের বিপরীতে শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন আহ্বান করা হবে।

  • আবেদনকারীরা প্রথমে নিজ জেলা বা শূন্যপদের অবস্থান অনুযায়ী বিভাগের অন্যান্য জেলার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

  • প্রথম যোগদানের দুই বছর পর শিক্ষকরা বদলির জন্য যোগ্য হবেন। নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মে থাকলে পরবর্তী বদলির আবেদন করা যাবে।

  • একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলি হতে পারবেন।

  • একাধিক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার নির্ধারণ হবে নারী, দূরত্ব, স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে।

  • দূরত্ব নির্ণয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মডেল অনুসারে করা হবে।

  • অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যযুক্ত আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষকরা ঘরের কাছে কর্মসংস্থান পাবেন এবং বদলির জন্য আর অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলায় পড়তে হবে না। এছাড়া বছরে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক অগ্রাধিকারভিত্তিতে বদলির সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশি শিক্ষকদের জন্য এটি বড় সুখবর হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ বদলির প্রক্রিয়া দ্রুত, স্বচ্ছ এবং সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হবে।



ফেসবুক কর্নার