June 24, 2026, 6:51 am
শিরোনাম :
মেধা ও যোগ্যতার কঠিন পরীক্ষায় নওগাঁয় ক্যাডেট এএসআই নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের

চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে হিউম্যান হলার চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নুরু–কাশেম চক্রের হাতে

Reporter Name

স্টার রিপোর্টার
চট্টগ্রাম EPZ ও পতেঙ্গা থানার গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর সড়কে হিউম্যান হলার পরিবহনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি চলছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ক্ষমতাসীন দল ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে পরিচিত নুরু ও কাশেম নামের দুজনের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী চক্র প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।
স্থানীয় পরিবহন–সংশ্লিষ্টদের বরাতে জানা যায়, প্রতিদিন প্রায় ১৫০–২০০ হিউম্যান হলার এই সড়কে চলাচল করে। এর মধ্যে মাত্র ৮০–৯০টি গাড়ির বৈধ রুট পারমিট থাকলেও বাকিগুলো অবৈধভাবে চলাচল করছে। অভিযোগ রয়েছে—নুরু–কাশেম চক্রের কাছে চাঁদা দিলেই অবৈধ গাড়িগুলো নির্বিঘ্নে চলতে পারে।
একজন লাইনম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “পারমিট না থাকলেও চাঁদা দিলে সব ঠিক। নুরু ও কাশেমের লোকেরা দৈনিক ১২০ টাকা ছাড়াও মাসিক ২–৩ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়।”
চাঁদাবাজির অভিযোগ বিষয়ে কাশেমকে ফোনে প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজের নাম প্রকাশ না করে জানান, “আমি একা খাই না। স্থানীয় নেতাদেরও মাসিক দিতে হয়।”
অন্যদিকে EPZ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর কারুজ্জামান দাবি করেন, তারা কাউকে চাঁদাবাজির সুযোগ দেন না এবং নিয়মিত মামলা করছেন। তবে মাঠপর্যায়ে চাঁদাবাজি বন্ধ না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে—কারা এই চক্রকে রক্ষা করছে?
তদন্তে আরও ইঙ্গিত মিলেছে, নুরু–কাশেম চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দর সড়ককে “টাকা তুলার নিরাপদ ক্ষেত্র” হিসেবে ব্যবহার করছে এবং বছরে কয়েক কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করছে।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদন চলবে



ফেসবুক কর্নার