June 24, 2026, 7:06 am
শিরোনাম :
হরমুজে আটকা ১১ হাজারের বেশি নাবিককে উদ্ধার করবে জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মেধা ও যোগ্যতার কঠিন পরীক্ষায় নওগাঁয় ক্যাডেট এএসআই নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান

সুন্দরগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সূর্য পূজা

মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম গাইবান্ধা প্রতিনিধি

মো: জাহিদুল ইসলাম, গাইবান্ধা:
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঘাঘট নদীর তীরে সম্পন্ন হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুদিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী সূর্য পূজা। উৎসবকে কেন্দ্র করে পুরো নদীর তীরে তৈরি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে শুরু হওয়া এই ধর্মীয় আচার মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত চলে। ভক্তরা নদীতে মেনে সূর্য দেবতার উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করেন। শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি ও ঢাকঢোলের বাদ্যে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ঘাঘট নদীর পাড়।
সোমবার দুপুরের পর থেকেই উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা পুজোর ডালা সাজিয়ে মাথায় করে নদীর ঘাটে আসেন। ফল, ফুল ও নৈবেদ্য দিয়ে সূর্য দেবতার উদ্দেশ্যে সাজানো হয় প্রতিটি ডালা, প্রজ্বলন করা হয় মঙ্গলপ্রদীপ। এরপর ভক্তরা নদীতে নেমে সূর্য দেব ও ছট দেবীর উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করেন, যা চলে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। পরদিন সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা।
ভক্তরা দেশ, জাতি ও সমাজের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেন এবং সারাদিন উপবাস থেকে পরিবার-পরিজনের কল্যাণ কামনা করেন সূর্য দেবের নিকট।
প্রতি বছর কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে এই সূর্য পূজা বা ছট পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পূজারীরা জানান, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে মহাভারতে গঙ্গা দেবীর পুত্র ভিঙ্গো পিতামা (বিশ্ব) প্রথম সন্তান প্রাপ্তির আশায় সূর্য দেবের আরাধনা করেছিলেন—সেই ঐতিহ্য আজও অব্যাহত রয়েছে।



ফেসবুক কর্নার