June 24, 2026, 8:38 am
শিরোনাম :
নারীকে গণধর্ষণের পর হত্যা: নয় মাস পর ডিএনএ পরীক্ষায় পরিচয় শনাক্ত, দুই আসামি গ্রেপ্তার হরমুজে আটকা ১১ হাজারের বেশি নাবিককে উদ্ধার করবে জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মেধা ও যোগ্যতার কঠিন পরীক্ষায় নওগাঁয় ক্যাডেট এএসআই নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড

ফ্রান্সের নাগরিকত্ব গ্রহণ করায় জর্জ ক্লুনি দম্পতিকে ট্রাম্পের কটাক্ষ

অভয়নগর প্রতিবেদক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বরেণ্য অভিনেতা জর্জ ক্লুনিকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তার পরিবারের প্রতিও ক্ষুব্ধ তিনি। এর কারণ, ক্লুনি দম্পতি ফ্রান্সের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। এ বিষয়টি তারা রাজনৈতিক সমালোচনার সঙ্গে যুক্ত করেছেন।

ট্রাম্প লিখেছেন, ‌‘ভালো খবর! জর্জ ও আমাল ক্লুনি, যারা সবসময় রাজনীতির সবচেয়ে বাজে পূর্বাভাসকার বলে পরিচিত তারা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের নাগরিক। তবে দেশটি বর্তমানে বড় ধরনের অপরাধ প্রবণতায় ভুগছে। যেমন আমাদের দেশজুড়ে ‘স্লিপি জো বাইডেন’র অধীনে নানা অপরাধ চলছে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘মনে আছে ক্লুনি বিখ্যাত বিতর্কের পর জো বাইডেনকে সমর্থন না দিয়ে আরেক প্রার্থীকে পাশে নিয়েছিলেন? ফলে তিনি রাজনীতিতে নিজের সিনেমার চেয়েও বেশি খ্যাতি পেয়েছেন। কিন্তু আসলে তিনি কোনো বড় চলচ্চিত্র তারকা নন, তিনি শুধু একজন সাধারণ মানুষ, যিনি রাজনীতিতে সাধারণ যুক্তির জন্য ক্রমাগত অভিযোগ করেন।’

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ক্লুনি এখন সপরিবারে ফরাসি নাগরিক

এক সাক্ষাৎকারে ক্লুনি বলেছিলেন, ‘আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য কিছু করি না। আমার কাজ হলো সত্য বলার চেষ্টা করা। যতটা সম্ভব এবং যখন সুযোগ পাই। মানুষ যেটা পছন্দ করবে না, সেটা আমাকে ভাবাবে না।’

এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে ক্লুনি আরও বলেন, মিডিয়া তার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের মামলায় সরাসরি লড়াই করলে দেশ এখন যে পরিস্থিতিতে রয়েছে তা হতো না। তিনি সাংবাদিকদের উৎসাহ দিয়েছেন, নির্ভয়ে সত্য প্রকাশ করতে।

এ ঘটনার মাধ্যমে ক্লুনি এবং ট্রাম্পের রাজনৈতিক টানাপোড়েন নতুন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এটি সিনেমা ও রাজনীতি মিলিয়ে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করছে।



ফেসবুক কর্নার