June 24, 2026, 2:28 am
শিরোনাম :
হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড জলবায়ু অর্থায়ন ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয় পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ যোগ্যরা বঞ্চিত, সুবিধা পাচ্ছেন অযোগ্যরা; তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের অপপ্রচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জজুড়ে বিএনপির বিক্ষোভ

রৌমারীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার: অবহেলিত জনপদে চেতনার বাতিঘর

কে. এম. জাকির রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

 

কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্তঘেঁষা উপজেলা রৌমারী মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সাক্ষী। এই জনপদ ছিল একসময় মুক্তাঞ্চল। সেই বীরত্বগাথা ও ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে আজও নীরব সাক্ষীর মতো দাঁড়িয়ে আছে রৌমারীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। এটি কেবল একটি স্থাপত্য নয়, বরং স্থানীয় মানুষের আবেগ, স্মৃতি ও দেশপ্রেমের মিলনস্থল।
উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শহীদ মিনারটি বছরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ দিবসে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। বিশেষ করে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত হয় এর বেদি। স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষ একত্রিত হন ভাষার প্রতি ভালোবাসা আর শহীদদের স্মরণে।
তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শহীদ মিনার চত্বরটির পরিকল্পিত উন্নয়ন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। উৎসব ও জাতীয় দিবসগুলোতে এখানে ব্যাপক আলোকসজ্জা ও লোকসমাগম দেখা গেলেও বছরের অন্যান্য সময়ে পরিচর্যার ঘাটতি চোখে পড়ে। অনেকের অভিমত, এই এলাকাকে ঘিরে একটি স্থায়ী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা পাঠাগার গড়ে তোলা গেলে নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব আরও গভীরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হতো।
রৌমারীর শহীদ মিনার আমাদের বারবার স্মরণ করিয়ে দেয় সেইসব বীর সন্তানের কথা, যারা নিজের রক্তের বিনিময়ে আমাদের ভাষা ও পরিচয়কে রক্ষা করেছেন। এই পবিত্র স্থানের মর্যাদা রক্ষা, সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।



ফেসবুক কর্নার