
এর আগে দেশের সর্বোচ্চ আদালত পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্ট-এর দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলগুলো খারিজ করে দেন। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ইনশা আল্লাহ। এটা আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিএনপির আন্দোলনের ফসল।’ রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন। ফলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, গণভোট পুনর্বহাল এবং সংবিধানের ৭(ক) ও ৭(খ) অনুচ্ছেদ বাতিলসংক্রান্ত হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ কার্যকর থাকছে।
২০১১ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ ৫৪টি পরিবর্তন আনে। পরে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ওই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে পৃথক রিট আবেদন করা হয়।
গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোট বাতিলসংক্রান্ত সংশোধনীর ২০ ও ২১ ধারা অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে সংবিধানে যুক্ত ৭(ক), ৭(খ) ও ৪৪(২) অনুচ্ছেদও বাতিল ঘোষণা করা
পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে পৃথক লিভ টু আপিল ও আপিল দায়ের করা হলেও বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগ সেগুলো খারিজ করে দেন। এর ফলে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল থাকায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আয়োজনের সাংবিধানিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হলো।