June 24, 2026, 7:18 am
শিরোনাম :
নারীকে গণধর্ষণের পর হত্যা: নয় মাস পর ডিএনএ পরীক্ষায় পরিচয় শনাক্ত, দুই আসামি গ্রেপ্তার হরমুজে আটকা ১১ হাজারের বেশি নাবিককে উদ্ধার করবে জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মেধা ও যোগ্যতার কঠিন পরীক্ষায় নওগাঁয় ক্যাডেট এএসআই নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে জাতীয় নির্বাচন অনিশ্চিত হয়

রাকিবুল ইসলাম রাকিব সিরাজগঞ্জ

রাকিবুল ইসলাম রাকিব, স্টাফ রিপোর্টার।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন কোনো কারণে অনুষ্ঠিত নাও হতে পারে; সে পরিস্থিতি ঢুকে পড়লে প্রথমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন অত্যাবশ্যক। বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কমনওয়েলথের ‘ইলেকটোরাল সাপোর্ট’ শাখা উপদেষ্টা লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজ নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শক্তি মিলিয়ে বলেছেন—জুলাই সনদ একটি গুরুত্বপূর্ন দলিল এবং সেটি আদেশের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়ন করে গণভোট পরিচালনা করতে হবে; ন্যায্যতা ও গ্রহণযোগ্যতার স্বার্থে গণভোটকে নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে দেখছেন জামায়াত।
ডা. তাহের আশা প্রকাশ করেন, নভেম্বরের মধ্যে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে এবং প্রয়োজনে কিছু অর্থ ব্যয় করেও সনদ বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিতে হবে, না হলে ভবিষ্যৎ নির্বাচনে বৈধতার প্রশ্ন থেকে যাবে। তিনি বলেন, এনসিসি যদি যে প্রস্তাব দিয়েছে তা দ্রুত কার্যকর করা জরুরি। বৈঠকে উপস্থিত কমনওয়েলথ প্রতিনিধি দলকে বিষয়গুলো তুলে ধরে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ করার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন।
নিরাপত্তাসংক্রান্ত দাবি ও ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়ে ডা. তাহের বলেন, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাবসহ সব বাহিনী স্থায়ীভাবে থাকতে হবে — তাদের কেবল স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবেই নয়, মাঠেই স্থায়ী অবস্থানে রাখতে হবে। তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রগুলোতে মুক্ত ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত করতে হবে যাতে ভোটাররা ভয়ে-অনুভবে প্রভাবিত না হন।



ফেসবুক কর্নার