August 15, 2026, 2:26 pm
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের বড় ঘোষণা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: সাবেক আরএমওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি জলিলসহ আটক ৪ ভ্রাম্যমাণ বইমেলার উদ্বোধন, পাঠাভ্যাস গড়তে নানা আয়োজন অনলাইনে আবেদনেই শিক্ষকদের অবসরের টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে: প্রধানমন্ত্রী রিজভী-আমানসহ বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হলেন ৪ নেতা আঠারো চূড়া বিলে ক্যাফে উদ্বোধন ঘিরে বিশৃঙ্খলা, তরুণকে আটকের অভিযোগ গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি বাড়ছে ৫ টাকার মিনি প্যাকে তথ্যহীন বেবি সুইটস চানাচুর, খাদ্যমান নিয়ে প্রশ্ন নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা, উদ্বোধন শনিবার

লোহাগড়া পৌরসভায় সরকারি বিধি ভেঙে কর্মচারীদের পিআইসি হওয়ার অভিযোগ, লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের দাবি

সবুজ সরদার লোহাগাড়া নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার উন্নয়নকাজে অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। পৌরসভায় কর্মরত দুই কর্মচারী সরকারি বিধি অমান্য করে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) দায়িত্ব নিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
অভিযুক্তরা হলেন পৌরসভার হিসাবরক্ষক উজ্জ্বল কুমার ও কার্যসহকারী কবির হোসেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পিআইসির প্রধান বা সদস্য হওয়ার সুযোগ না থাকলেও তাঁরা একাধিক প্রকল্পের দায়িত্ব নিয়েছেন। এসব প্রকল্পে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে কিংবা কাগজপত্রে কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পৌরসভার উন্নয়ন ও জনসেবায় ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ঘাটতি থাকায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে সংবাদকর্মীরা হিসাবরক্ষক উজ্জ্বল কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি সরকারি বিধি ভেঙে পিআইসি হওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তবে তিনি দুটি প্রকল্পের পিআইসি ছিলেন বলে স্বীকার করেন।
অন্যদিকে কার্যসহকারী কবির হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা না বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
পৌরসভার সচিবের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তাঁর বক্তব্যে বিষয়টি নিয়ে দায় এড়ানোর প্রবণতা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি অর্থের অনিয়ম ও প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার অভাবের বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা জরুরি। তাঁরা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে পৌরসভার উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।



ফেসবুক কর্নার