August 15, 2026, 2:32 pm
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের বড় ঘোষণা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: সাবেক আরএমওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি জলিলসহ আটক ৪ ভ্রাম্যমাণ বইমেলার উদ্বোধন, পাঠাভ্যাস গড়তে নানা আয়োজন অনলাইনে আবেদনেই শিক্ষকদের অবসরের টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে: প্রধানমন্ত্রী রিজভী-আমানসহ বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হলেন ৪ নেতা আঠারো চূড়া বিলে ক্যাফে উদ্বোধন ঘিরে বিশৃঙ্খলা, তরুণকে আটকের অভিযোগ গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি বাড়ছে ৫ টাকার মিনি প্যাকে তথ্যহীন বেবি সুইটস চানাচুর, খাদ্যমান নিয়ে প্রশ্ন নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা, উদ্বোধন শনিবার

৬ বছরেও চালু হয়নি বান্দরবানের ২৫০ শয্যা হাসপাতাল: বাড়ছে রোগীদের দুর্ভোগ

Reporter Name

বান্দরবান প্রতিনিধি-
নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার ছয় বছর পরও চালু হয়নি বান্দরবানের ২৫০ শয্যার আধুনিক হাসপাতালটি। প্রশাসনিক জটিলতা ও জনবল সংকটে ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে থাকায় প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীদের দুর্ভোগ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রশাসনিক অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় নিয়োগ সম্পন্ন হলেই ভবনটি চালু করা যাবে।
বান্দরবানের কয়েক লাখ মানুষের চিকিৎসার প্রধান কেন্দ্র জেলা সদর হাসপাতাল। ১০০ শয্যার এ প্রতিষ্ঠানকে ২০১৯ সালে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রকল্প নেয় সরকার। ২০২4 সালের ডিসেম্বরে নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হলেও বিভিন্ন জটিলতায় তা চালু করা যায়নি। নতুন ভবনে আইসিইউ, সিসিইউ, আইসোলেশন ওয়ার্ড, সার্জারি ইউনিট, গাইনি ওয়ার্ডসহ আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা রাখা হলেও জনবল না থাকায় সেগুলো ব্যবহারযোগ্য হয়নি।
ফলে জেলার পুরো জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা এখনো নির্ভর করছে পুরনো ১০০ শয্যার ভবনের ওপর। সেখানে নেই আইসিইউ-সিসিইউর মতো জরুরি সেবা, নেই পর্যাপ্ত শয্যা। প্রতিদিন মেঝেতে রোগী রাখতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। সামান্য জটিল রোগেও পাঠাতে হচ্ছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, যা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে ফেলছে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষকে।
রোগীরা জানান, হাসপাতালটিতে ডাক্তার ও শয্যা দুটোরই সংকট রয়েছে। নতুন ভবন দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছেন তারা। ছাইগ্যার নুর মোহাম্মদ বলেন, কেবিন খালি না থাকায় মেঝেতে থাকতে হয়। নতুন হাসপাতাল চালু হলে এই সংকট কমবে। কালাঘাটার সুভাষ দাশ জানান, আইসিইউ না থাকায় সামান্য সমস্যাতেও চট্টগ্রাম যেতে হয়, অথচ নতুন ভবনে সেই সুবিধা আছে। রুমার পাইন্দু হেডম্যান পাড়ার ছোহ্লামং মার্মা বলেন, আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে স্ত্রীকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম নিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
সিভিল সার্জন ডা. শাহীন হোসেন চৌধুরী জানান, “২৫০ শয্যার নতুন ভবনের অবকাঠামোগত সব কাজ শেষ। তবে বিদ্যুৎ, পানি সংযোগসহ প্রশাসনিক অনুমোদন ও জনবল নিয়োগ সম্পন্ন হলেই এ হাসপাতাল দ্রুত চালু করা সম্ভব হবে। এটি চালু হলে জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।”



ফেসবুক কর্নার