April 23, 2026, 5:54 pm
শিরোনাম :
কালিগঞ্জের ডিআরএম কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার বরখাস্ত শান্তিগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন, সপ্তাহজুড়ে সচেতনতা কর্মসূচি তীব্র গরমে অভিভাবকদের পাশে দাঁড়ালেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহীন মাহমুদ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে এগিয়ে চলা তাপস্বীর পাশে জেলা পরিষদ বাগমারায় ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ, উৎকণ্ঠায় পরিবার শিবগঞ্জে টানা চুরির ঘটনায় আতঙ্ক, চার দিনে ১৩ বাড়িতে সিঁধ কাটা মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ শেরপুরে জমি দখলের অভিযোগে উত্তেজনা, জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের দাবি

রৌমারীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার: অবহেলিত জনপদে চেতনার বাতিঘর

কে. এম. জাকির রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

 

কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্তঘেঁষা উপজেলা রৌমারী মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সাক্ষী। এই জনপদ ছিল একসময় মুক্তাঞ্চল। সেই বীরত্বগাথা ও ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে আজও নীরব সাক্ষীর মতো দাঁড়িয়ে আছে রৌমারীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। এটি কেবল একটি স্থাপত্য নয়, বরং স্থানীয় মানুষের আবেগ, স্মৃতি ও দেশপ্রেমের মিলনস্থল।
উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শহীদ মিনারটি বছরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ দিবসে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। বিশেষ করে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত হয় এর বেদি। স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষ একত্রিত হন ভাষার প্রতি ভালোবাসা আর শহীদদের স্মরণে।
তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শহীদ মিনার চত্বরটির পরিকল্পিত উন্নয়ন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। উৎসব ও জাতীয় দিবসগুলোতে এখানে ব্যাপক আলোকসজ্জা ও লোকসমাগম দেখা গেলেও বছরের অন্যান্য সময়ে পরিচর্যার ঘাটতি চোখে পড়ে। অনেকের অভিমত, এই এলাকাকে ঘিরে একটি স্থায়ী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা পাঠাগার গড়ে তোলা গেলে নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব আরও গভীরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হতো।
রৌমারীর শহীদ মিনার আমাদের বারবার স্মরণ করিয়ে দেয় সেইসব বীর সন্তানের কথা, যারা নিজের রক্তের বিনিময়ে আমাদের ভাষা ও পরিচয়কে রক্ষা করেছেন। এই পবিত্র স্থানের মর্যাদা রক্ষা, সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।



ফেসবুক কর্নার