July 14, 2026, 9:43 am
শিরোনাম :
দ্বিতীয় শ্রেণীর স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ জেলা প্রশাসন, চিকিৎসার ব্যয় বহনের আশ্বাস ১ আগস্ট থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুরা পাবে টাইফয়েড টিকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ, ভোগান্তিতে রোগীরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের জুয়ার নেশায় একসঙ্গে ১৪ জনকে বিয়ে করলেন নারী যুবদল নেতা রুবেলকে কুপিয়ে হত্যা, লাশ নিয়ে বিক্ষোভ বেহাল কলকলিয়া-চন্ডিডহর সড়ক, প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা কোটাবিরোধী আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কোটায় ভর্তি বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪ ‘দুই কোটি টাকা দেন, নইলে ব্যবসা গুটিয়ে ফেলেন’, ডেভিড ইমনের হুমকি

কালিগঞ্জে ৩ অস্ত্র সহ ৫ ডাকাত আটক হলেও অস্ত্র বিক্রেতা,মাদক কারবারি ছাত্রলীগ নেতা নাসির অধরা

হাফিজুর রহমান

কালীগঞ্জ উপজেলায় গত ৩ মাসে দেশি-বিদেশি ৩ টি পিস্তল/অস্ত্র সহ ৫ জন ডাকাত,ছিনতাইকারী আটক হলেও অস্ত্র বিক্রেতা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা জেলার শীর্ষ মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন তার স্ত্রী আজমিরা খাতুন ওরফে পাখি ও ভাই মাদকাসক্ত মোহনকে রহস্যজনক কারণে পুলিশ আটক না করায় রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। অস্ত্র ও মাদক মামলায় আটক হত্যাসহ প্রায় ২ ডজন মামলার আসামি ইয়ার আলীর স্বেচ্ছায় দেওয়া বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দিতে অস্ত্র বিক্রেতা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা নাসির উদ্দিন, ক্রেতা রওশন কাগুজি, সহ কয়েক জনের নাম জানালেও নাসির উদ্দিনকে আজ ও পুলিশ আটক করতে পারেনি। অনুসন্ধানে এমনই চঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। নাসির গংয়ের মাদক ও অস্ত্র কারবারি কাজে ব্যবহার করা হতো একাধিক সুন্দরী যুবতী নারীদের। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাদক বহন ও হানি ট্রাপের কাজে ব্যবহার করা হতো ঐ সমস্ত সুন্দরী নারীদের। এ ছাড়াও সুন্দরী যুবতী নারীদের সঙ্গে নিজে অবৈধ মেলামেশা, অসামাজিক কার্যকলাপ ছাড়াও থানা পুলিশের অনেক সদস্যদের এই হানিট্র্যাপের ফাঁদে বাসায় বা নির্জন ফ্লাটে ডেকে ব্ল্যাকমেইল করা হতো নিজেকে রক্ষার জন্য । তার এই কাজে শ্যামনগরের ফারুক মিস্ত্রির মেয়ে রুমার সঙ্গে নিজে মেলামেশা সহ তার হানি ট্রাপে পুরুষ ধরার ফাঁদের কাজে ব্যবহার করত। তার কথামতো না চললে তার কথিত প্রেমিকা রুমাকে দিয়ে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে নাসিরের বিরুদ্ধে। তার এ সমস্ত কাজে সুন্দরী,যুবতী নারীদের সঙ্গে মেলামেশা ও অন্তরঙ্গের বিশেষ মুহূর্তের ছবি ও গোপনে ভিডিও ধারণ করে রাখা হতো। যেটা পরবর্তীতে (নাসির) তার সুবিধা মতন সময় ও ব্যবসার কাজে ব্যবহার করতো। তার এই ফাঁদ থেকে বাদ যায়নি জেলার সাবেক শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা থেকে চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, ধনাঢ্য ব্যক্তি ছাড়াও কর্মরত অনেক পুলিশ সদস্য রাই এ জালে আটকা পড়ে আছে।। যে কারণে তাকে গ্রেপ্তার না করে সহায়তা করার এমন তথ্য উঠে এসেছে এ প্রতিনিধির কাছে। পুলিশের ছত্র ছায়ায় দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরা জেলা জুড়ে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা নির্বিঘ্নে চালিয়ে গেলেও কখনো পুলিশি ঝামেলা, মামলা, আটকের মুখোমুখি হতে হয়নি। তার এই অস্ত্র ও মাদক এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিরাপদে বহন করার জন্য সুন্দরী মেয়েদের ফাঁদে ফেলে প্রেম,বিয়ের আশ্বাসে নিজে ভোগ ,অবৈধ মেলামেশা সহ তার চোরাকারবারি কাজে ব্যবহার করা হতো। তাঁর এই কাজে শ্যামনগরের ফারুক মিস্ত্রির মেয়ে রুমা ছাড়াও বহু মেয়েকে ব্যবহার করে আসছে ।পরবর্তীতে তাদেরকে সমাজে, কল গার্ল,পতিতা, মাদক ব্যবসায়ী, ডাকাত হতে হয়েছে। যেভাবে তার প্রথম স্ত্রী মাসুরা খাতুনকে মিথ্যা মাদক ও ডাকাতি মামলায় ফাঁসিয়ে কোলের শিশু সন্তান সহ জেলে যেতে হয়েছে। ব্যবসার শুরুতেই সাতক্ষীরার কাটিয়ায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকার সময় কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে নাসির- মাসুরাকে আটক করে। ঐ সময় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ের ভূয়া কাবিননামা দেখালে পরবর্তীতে রেজিস্টারের নিকট পুনরায় বিবাহ করার শর্তে মুচলেকা নিয়ে তার বাবা বাসারাতুল্লাহর জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রথম স্ত্রী মাসুরা তার এই কাজে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানালে গর্ভের সন্তানসহ নির্যাতন, মারপিট করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। সন্তান প্রসবের পর স্ত্রী মাসুরা স্বামী নাসির, শশুর শাশুড়ি ও দেবরের নামে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে। (কালিগঞ্জ থানা মামলা নং ১৬ ,তারিখ ১৮/১/১৮) ঐ মামলায় শশুর, শাশুড়ি ,দেবরকে পুলিশ আটক করে জেল হাজতে পাঠালেও নাসির থেকে যায় অধরা। স্ত্রীর মামলা থেকে বাঁচতে তার সহযোগী ডাকাত ইয়ার আলীর ভাই বাহার কয়েক লক্ষ টাকা দিয়ে ভাড়া করে প্রথম স্ত্রী মাসুরা ও তার শিশু সন্তানকে হত্যার মিশনে পাঠায়। বিষয়টি জেনে যাওয়ায় স্ত্রীর দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা থেকে নাসির এবং তার পরিবারকে বাঁচাতে একের পর এক মিথ্যা সাজানো মাদক মামলায় আটক করিয়ে কোলের শিশু সন্তান সহ স্ত্রী মাসুরাকে জেল হাজতে পাঠায়। (শ্যামনগর থানার মাদক মামলা নং ৬, তারিখ ১০/১২/১৮ এবং মামলা নং ৩১ তারিখ ৩০/১/২৩) পরবর্তীতে স্ত্রীর দায়ের করা নারী নির্যাতন মামলা থেকে খালাস পেতে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের মধুসূদন কর্মকারের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনার মামলায় অজ্ঞাত আসামীদের জায়গায় তৎকালীন পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানকে ব্যবহার করে তৎকালীন থানার ওসির নির্দেশে, নাসিরের হানি ট্রাপের ফাঁদে পড়া তৎকালীন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস,আই কামালকে দিয়ে ফিল্মীস্টাইলে ১০/১৫ জন পুলিশ নিয়ে আদালতে হাজিরা দিতে গেলে সেখান থেকে মাসুরাকে শিশু সন্তান সহ গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়ে ঐ মামলা থেকে খালাস পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। (কালিগঞ্জ থানার ডাকাতি মামলা নং ৪ তারিখ ৬/৭/২৫) এর আগে এ মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই কামালকে হানি ট্রাপের ফাঁদে ফেলে ভাড়া বাসায় ডেকে নিয়ে কল গার্ল দিয়ে ছবি তোলা ছাড়াও অবৈধ মেলামেশার ছবি ও ভিডিও গোপনে ধারণ করে রাখে। যে কারণে তৎকালীন পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার করতে ওসিকে নির্দেশ দেয় বলে এসআই কামালের এমনই স্বীকারোক্তির অডিও ভিডিও এ প্রতিনিধির নিকট সংরক্ষিত আছে। এভাবে নারী সরবরাহের কারণে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা নাসির আওয়ামী স্বৈরশাসনের সময়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের ব্যবহার করে যা খুশি তাই করে আসলেও কেউ কিছু করার,বলার সাহস পেত না। কালিগঞ্জ ও সাতক্ষীরা সদর থানার সাবেক ওসি এমদাদের ক্যাশিয়ার ও মাদক, অস্ত্র ব্যবসার পার্টনার খ্যাত নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা নাসির ছিল সাতক্ষীরা ব্যাপী সর্ব মহলের আলোচনায় টক অফ দ্যা সাতক্ষীরা। সাবেক ওসি এমদাদ সাতক্ষীরা সদর, কালীগঞ্জ থানায় চাকরি করা কালীন জামায়াত-বিএনপির অসংখ্য নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ,ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে নাসিরকে দিয়ে কোটি কোটি টাকা আদায় করে ও মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানোর বিস্তর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে পাউখালির কাঠমিস্ত্রি আব্দুর রউফের স্ত্রী একাধিক বিয়ে খ্যাত আজমিরা সুলতানা ওরফে পাখিকে ভাগিয়ে নিয়ে স্ত্রী পরিচয়ে সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বানিয়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে ছবি তুলে সখ্যতাকে পুঁজি করে এবং তার ভাই মোহন কে সহযোগী হিসেবে ব্যবসা চালিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাকে খুঁজে পায় না এ ছাড়াও নাসিরের বিরুদ্ধে কোন গণমাধ্যম কর্মী খবর প্রকাশ করলে তার মাদক বহন ও হানিট্রাপ কাজে ব্যবহৃত ঐ সমস্ত মেয়েদেরকে বাদি সাজিয়ে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলার ভয় দেখানো ছাড়াও মামলার কাজে ব্যবহার করা হতো। তার ভাই মোহন শ্যামনগরের সোনার মোড়ে বাড়ি সাইফুলের স্ত্রী সিমলাকে ভাগিয়ে এনে বিয়ে করে। এ ছাড়াও মাদক ও অস্ত্র ব্যবসার ঢাল হিসেবে নিজেকে গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে পত্রিকার সাইন বোর্ডের আড়ালে থানার সামনে নাজিমগঞ্জ বাজারে অফিস বসে এ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতো। নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক পরিচয় ছাড়াও ভুঁইফোড় সাংবাদিক সংগঠনের ব্যানারে নিজেকে স্বঘোষিত কথিত রিপোর্টার্স ইউনিটের সভাপতি পরিচয়ের ঢাল হিসাবে ব্যবহার করতো। অথচ কালিগঞ্জ উপজেলায় এই ধরনের সংগঠনের কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট ভালো থাকতে সোর্স পরিচয়কে সিদ্ধি করতে নাসিরের খদ্দের অনেক মাদক ব্যবসায়ীকে পুলিশের নিকট ধরিয়ে দিয়ে বন্ধু সোর্স হিসাবে গ্রহণ যোগ্যতা বাড়াতো। যে কারণে পুলিশের প্রভাব বিস্তার ছাড়াও নিজের গ্রহণযোগ্যতার কাজে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, যুবলীগ প্রেসিডেন্ট পরশ, ছাত্রলীগ প্রেসিডেন্ট, পুলিশের এসপি, ডিআইজি ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর তোলা ছবি ব্যবহার করে অবৈধ মাদক ও অস্ত্রের ব্যবসার প্রসার ঘটাতো । প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা (পা,আ, ৩৫/২২ নং )মামলায় আদালতের রায়ের ডিগ্রী প্রাপ্ত ৩ লক্ষ্য ২৫ হাজার টাকা পরিশোধ না করায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা নাসিরের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা সহ অস্ত্র মামলায় ১৬৪ ধারায় ডাকাত ইয়ার আলীর স্বীকারোক্তিতে নাম থাকলেও পুলিশের বিরুদ্ধে আটক না করার অভিযোগ উঠেছে। যে কারণে থানার সাবেক এসআই কামাল সহ অনেক পুলিশ কর্মকর্তা নাসিরের সঙ্গে আগাম খবর দিয়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে আসতো। থানা থেকে অভিযানে যাওয়ার আগে খবর দিয়ে তাকে গ্রেফতার অভিযানের নাটক সাজানোর অভিযোগ রয়েছে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। নাসিরের ভাই মোহন নিজে মাদক সেবন ছাড়াও উপজেলার উঠতি বয়সের যুবকদের ইয়াবা,ফেনসিডিল, গাঁজা বিক্রির কাজে ব্যবহার করায় উপজেলা জুড়ে মাদকের অভয়ারণ্য সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেফতার এড়াতে বর্তমানে তার স্ত্রী নিষিদ্ধ ঘোষিত সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজমিরা সুলতানা পাখি বর্তমান মাদক ব্যবসার দেখভালোর দায়িত্ব পালন করছে। গত ২৭ মার্চ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের র‍্যাব সদস্য ও কালিগঞ্জ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে কালীগঞ্জের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে শংকরপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইতালির তৈরি ৭.৬৫ বোরের ১ টি পিস্তল ৬ রাউন্ড গুলি ১ টি হিরো হোন্ডা স্প্লেন্ডার মোটরসাইকেল, ২ টা মোবাইল ২ টা ওয়াকি টকি ৯০০ পিস ইয়াবা সহ শংকরপুর গ্রামের ডাকাত ইয়ার আলী বাহার আলী ,রেজাউল ও আরিফুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বলকে আটক করে। উক্ত ঘটনায় র‍্যাবের উপ-পরিচালক মনসুর আলী বাদী হয়ে ২৮ মার্চ কালিগঞ্জ থানায় ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(এ)/১৯(এফ) ধারায় ১ টি মামলা দায়ের করে, মামলা নং-২৩। অন্য আরেকটি পৃথক মামলায় থানার উপ পরিদর্শক সারোয়ার হোসেন বাদী হয়ে একই দিনে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করে, মামলা নং-২৪ । এছাড়াও গত ২১ জুন বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত গহর আলীর পুত্র আজিবর রহমানের নিকট চাঁদাবাজি মারপিটের ঘটনায় ২ টি অস্ত্র সহ আটক কৃষ্ণনগর গ্রামের আনিসুর রহমান এবং মহাসিন কারিকর আটকের ঘটনায় গত ২২ জুন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ দ্রুত বিচার আইন ২০০২ এর ৪/৫ ধারায় মামলা হয়, মামলা নং -২৬। র‍্যাবের দায়ের করা অস্ত্র মামলার ৭ দিনের রিমান্ডে ডাকাত ইয়ার আলী গত ৭ এপ্রিল ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলামের খাস কামরায় যে স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক লিখিত জবানবন্দিতে জানান অমল মাস্টারের জায়গা দখলের জন্য রওশন কাগুজি ও ইদ্রিস কাগুজি আমাকে ভাড়া করেন। দখল কাজে অস্ত্রের প্রয়োজন হওয়ায় কালীগঞ্জের মৌতলা ছাত্রলীগ নেতা নাসিরের বাড়িতে যেয়ে ঘেরের একটি বাসা থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে ১ টি পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলি কিনে নিয়ে অমল মাস্টারের জায়গা দখল করি । বিনিময়ে আমাকে ১৫ হাজার টাকা দেয় এবং দখলকৃত জমির একটি শেয়ার দেওয়ার কথা ছিল। মিশন শেষে অস্ত্রটি ইদ্রিসের নিকট জমা দেই। বিজ্ঞ আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় এমনই স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দীর ২ মাসেও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা মাদক ও অস্ত্র কারবারি নাসিরকে গ্রেফতার না করায় এলাকায় খুন-খারাবি চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ও প্রতিনিয়ত ককটেল বিস্ফোরণ সহ সহিংস কার্যকলাপ বেড়েই চলেছে। এখন প্রশ্ন হল ইদ্রিসের নিকট জমা দেওয়া অস্ত্র এবং ২৭ মার্চ ডাকাত ইয়ার আলীর নিকট থেকে অস্ত্রগুলি উদ্ধার হলেও বাকি অস্ত্র, গুলি কোথায় এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের। আর এই বিক্রি,অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা সাধারণ জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে নিতে মেয়ে গঠিত সহ নানা অপরাধে জড়িত নৌবাহিনী থেকে কোর্ট মার্শালে চাকরি থেকে বরখাস্ত নাসিরের সহযোগী দেবহাটা থানার চন্ডিপুর গ্রামের করিমুল্লার পুত্র কথিত সাংবাদিক নামধারী ইউটিউবার আব্দুল্লাহ আল মামুনকে মোটা অংকের টাকায় ভাড়া করে এ আই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারের নিকট প্রথম স্ত্রী মাসুরার দায়ের করা লিখিত অভিযোগের তদন্ত আগামী ১৫ জুলাই সকাল ১০ টায় দেবহাটা থানায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে দেওয়া চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ভাবে অস্ত্র ব্যবসায়ী নাসিরের মাধ্যমে বিক্রি হওয়া কত অস্ত্র জেলা ব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এবং কবেই বা নাসির ও তার সহযোগীদের পুলিশ গ্রেফতার করবে এমন প্রশ্ন বিভিন্ন রাজনৈতিক সহ সচেতন মহলের। বিষয়টি নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার, খুলনা বিভাগীয় পুলিশ কমিশনার, সহ পুলিশের মহাপরিদর্শক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে উপজেলা বাসি।



ফেসবুক কর্নার