July 29, 2026, 10:49 pm

বাঞ্ছারামপুরে খাল খনন প্রকল্পের সাশ্রয়ী ২৮ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

আতিকুর রহমান বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শেষে সাশ্রয় হওয়া প্রায় ২৮ লাখ (২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩১) টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বরাদ্দকৃত অর্থের অবশিষ্ট অংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এ অর্থ ফেরত দেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, খাল পুনঃখনন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে ০.৭৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কাটাখালী (কুমাইরা) খাল এবং ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে তেজখালী ইউনিয়নের ১.২০ কিলোমিটার দীর্ঘ লটিয়ার খাল পুনঃখননের কাজ শুরু হয়। গত ২৫ এপ্রিল স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন।
প্রকল্পের আওতায় খালের দখলমুক্তকরণ, সরকারি নকশা অনুযায়ী খনন, দুই পাড় বাঁধাই এবং বৃক্ষরোপণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। প্রকল্পে মোট ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ২৩৮ টাকা ব্যয় হওয়ায় অবশিষ্ট ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩১ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী মোট ১ দশমিক ৯০ কিলোমিটার খাল ৭ থেকে ৮ ফুট গভীর এবং ৩০ থেকে ৪০ ফুট প্রস্থে খনন করা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে একাধিকবার পাড় মেরামত করতে হয়েছে। এছাড়া একটি খালের পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির ২২০টি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, খাল খনন সরকারের একটি বিশেষ প্রকল্প। দুটি ইউনিয়নের মধ্যে একটি খালের কাজ নকশা অনুযায়ী সম্পূর্ণ শেষ হয়েছে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অন্য খালটির শতভাগ কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হয়নি। ফলে বরাদ্দের কিছু অর্থ অব্যয়িত থাকায় তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।



ফেসবুক কর্নার