April 27, 2026, 8:47 pm
শিরোনাম :
খুলনা প্রেসক্লাবে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি ধামরাইতে অবৈধভাবে মজুদ করা ৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ মৌলভীবাজারে আধুনিক পাবলিক লাইব্রেরি পুনঃস্থাপনের দাবিতে ইউএনওকে স্মারকলিপি খালপাড়–মসজিদ রোড সংযোগ সড়ক ও গণশৌচাগার নির্মাণে আবেদন কালবৈশাখীর তাণ্ডবে গাছচাপায় প্রাণ গেল অন্তঃসত্ত্বা নারীর বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে বিপুল ইউএস ডলারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পার্বতীপুরে কৃষি উন্নয়নে ‘পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬’ অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জে ক্রয়কৃত জমিতে অবৈধ ছাদ নির্মাণের অভিযোগ, কাজ বন্ধের দাবি কুষ্টিয়ায় কোরআন অবমাননার অভিযোগে হত্যাকাণ্ড: এজাহারে নাম না থাকলেও গ্রেপ্তার দুই সাত খুন মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন

লালমোহনে দাম্পত্য কলহের জেরে  বালিশ চাপা দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করলো শ্বামী

অভয়নগর প্রতিবেদক

ভোলার লালমোহন উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে  স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। নিহত গৃহবধূ রুনা । এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী মো. জিহাদ (২১) ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকলেও পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের গণেশপুর গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। নিহত রুনা ওই গ্রামের হাফিজুর রহমানের মেয়ে। অভিযুক্ত জিহাদ পার্শ্ববর্তী পাংগাশিয়া গ্রামের মৃত মো. আলমগিরের ছেলে।  রুনা ও জাহিদ মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন হওয়া সত্ত্বেও পারিবারিক ভাবে প্রায় ৭ মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। পারিবারিক সূত্র জানায়, বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। বিষয়টি একাধিকবার পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। ঘটনা দিন রুনার মা (জিহাদের ফুফু) পারিবারিক একটি সালিশের উদ্দেশ্যে জিহাদের বাড়িতে যান। সে সময় রুনা অবস্থান করছিল তার বাবার বাড়িতে, আর জিহাদ ছিলেন নিজ বাড়িতে। সালিশের পরপরই জিহাদ শ্বশুরবাড়িতে আসেন। পরে সন্ধ্যায় এ ঘটনার পর থেকে  লাপাত্তা হয়ে যান স্বামী জিহাদ। ঘটনার সময় রুনার চাচি ও প্রত্যক্ষদর্শী নুরু জাহান বেগম জানান, সন্ধ্যার দিকে রুনার ঘর থেকে অস্বাভাবিক শব্দ পেয়ে তিনি সেখানে যান। ঘরে ঢুকে দেখেন, রুনা বিছানায় পড়ে আছে, তার বুকের ওপর একটি বালিশ রাখা এবং শরীর কম্বল দিয়ে ঢাকা। অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে কম্বল সরালে দেখা যায়, রুনার গলায় নখের আঁচড়ের দাগ, রুপার চেইন ছেঁড়া অবস্থায় পড়ে আছে এবং বিছানা প্রস্রাবে ভিজে গেছে। তার মুখে লালা ও রক্তও দেখা যায়। পরে স্থানীয় একজন চিকিৎসক এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার পরপরই জিহাদ বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়। রুনার মৃত্যুর পর তাকে একাধিকবার ফোন করা হলে সে অসংলগ্ন ও উল্টো-পাল্টা মন্তব্য করতে থাকে, যা তার আচরণকে আরও সন্দেহজনক করে তোলে। খবর পেয়ে লালমোহন সার্কেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন। লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. অলিউল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর হয় । অভিযুক্ত স্বামী মো. জিহাদকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভোর রাতে ইলিশা লঞ্চ ঘাট থেকে র‍্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় । এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান।



ফেসবুক কর্নার